০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

চলতি বছরে হজে যাবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং অবশিষ্ট এক লাখ ২০ হাজার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করার সুযোগ পাবেন।

রবিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, আমরা সুন্দরভাবে ২০১৮ সালের সৌদি বাংলাদেশ হজ চুক্তি সম্পন্ন করতে পেরেছি- আলহামদুলিল্লাহ। গত ১৪ জানুয়ারি পবিত্র মক্কা-আল-মোকাররমায় এই হজচুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে আমি নেতৃত্ব দেই।

তিনি আরো বলেন, অন্য বছরের মতো এবারো মোট হজযাত্রী শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিডেট এবং শতকরা ৫০ ভাগ সৌদি এয়ারলাইন্স বহন করবে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকার সকল প্রকার ক্রয় ও সেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে, যা ১ জানুয়ারি ২০১৮ হতে কার্যকর হয়েছে। আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনের উপর এর প্রভাব পড়বে। তবে রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক আরোপিত ভ্যাটের প্রভাব যাতে হজ যাত্রীদের উপর আর্থিক প্রভাব সৃষ্টি না করে সে বিষয়ে বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচেষ্ট থাকবে।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, রাজকীয় সৌদি সরকার নিরাপত্তার প্রশ্নে সকল ধরনের শৃঙ্খলার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে হজ এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

সৌদ আরবের মক্কায় এ হজ চুক্তি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও সৌদি-ওমরা বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতান।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সি সমূহকে হজযাত্রীদের প্রতি আরো যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, হজ যাত্রীদের প্রতি কোনো ধরনের অবেহলা বা প্রতারণা আমরা সহ্য করা হবে না। অন্যায়কারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হজ নীতিমালা, হজ প্যাকেজ এবং বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের বিভিন্ন নির্দেশাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করে হজযাত্রীদের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।

মতিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে গত নয়টি হজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৬ সাল হতে পুরোপুরি ই-হজ পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছে। ই-হজ পদ্ধতিতে আমরা বিগত বছর সফলতার সাথে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

চলতি বছরে হজে যাবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন

প্রকাশিত : ০৩:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং অবশিষ্ট এক লাখ ২০ হাজার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করার সুযোগ পাবেন।

রবিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, আমরা সুন্দরভাবে ২০১৮ সালের সৌদি বাংলাদেশ হজ চুক্তি সম্পন্ন করতে পেরেছি- আলহামদুলিল্লাহ। গত ১৪ জানুয়ারি পবিত্র মক্কা-আল-মোকাররমায় এই হজচুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে আমি নেতৃত্ব দেই।

তিনি আরো বলেন, অন্য বছরের মতো এবারো মোট হজযাত্রী শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিডেট এবং শতকরা ৫০ ভাগ সৌদি এয়ারলাইন্স বহন করবে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকার সকল প্রকার ক্রয় ও সেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে, যা ১ জানুয়ারি ২০১৮ হতে কার্যকর হয়েছে। আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনের উপর এর প্রভাব পড়বে। তবে রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক আরোপিত ভ্যাটের প্রভাব যাতে হজ যাত্রীদের উপর আর্থিক প্রভাব সৃষ্টি না করে সে বিষয়ে বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচেষ্ট থাকবে।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, রাজকীয় সৌদি সরকার নিরাপত্তার প্রশ্নে সকল ধরনের শৃঙ্খলার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে হজ এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

সৌদ আরবের মক্কায় এ হজ চুক্তি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও সৌদি-ওমরা বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতান।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সি সমূহকে হজযাত্রীদের প্রতি আরো যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, হজ যাত্রীদের প্রতি কোনো ধরনের অবেহলা বা প্রতারণা আমরা সহ্য করা হবে না। অন্যায়কারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হজ নীতিমালা, হজ প্যাকেজ এবং বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের বিভিন্ন নির্দেশাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করে হজযাত্রীদের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।

মতিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে গত নয়টি হজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৬ সাল হতে পুরোপুরি ই-হজ পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছে। ই-হজ পদ্ধতিতে আমরা বিগত বছর সফলতার সাথে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।