ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের দিমা হাসাও জেলায় অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারির কারণে মাঝপথে আটকা পড়েছে দুই হাজারের বেশি মানুষ। পুলিশের গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহতের প্রতিবাদে বনধের (হরতাল) ডাক দিয়েছে স্থানীয় দিমাসাসহ কয়েক উপজাতী। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ায় কারফিউ জারি করেছে পুলিশ।
দিমা হাসাও জেলা বৃহত্তর নাগাল্যান্ডের অংশ করার পরিকল্পনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ করছিল স্থানীয়রা। এ সময় পুলিশের গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহত হয়। 
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাইবাং এলাকায় কারফিউ জারির কারণে সিলচর ও গোহাটি যাচ্ছিল এমন দুই হাজারের বেশি যাত্রী মাঝপথে আটকা পড়ে আছে।
খবরে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতদের লাশ নিয়ে স্থানীয়রা নিরব বিক্ষোভ পালন করে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবারের হত্যার প্রতিবাদে স্থানীয় বিভিন্ন উপজাতী ৪৮ ঘণ্টার বনধের (হরতাল) ডাক দিয়েছে। নাগাল্যান্ড ইস্যু থেকে সরকারকে সরে আসারও আহ্বান জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
এ ছাড়া বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের চাকরি ও আহত ১০ জনকে পাঁচ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের সময় মাইবাং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ভাংচুর করে। এক পর্যায়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়।
গুলির ব্যাপারে আসাম পুলিশের মহাপরিচালক মুকেশ সাহাই বলেন, ‘দুইজন নিহতের ঘটনা সত্যি দুঃখজনক। কিন্তু এ ছাড়া পুলিশের আর কোনো উপায় ছিল না।’
উল্লেখ্য, দিমা হাসাও জেলা বৃহত্তর নাগাল্যান্ডে অংশ হচ্ছে সম্প্রতি এমন খবর প্রকাশের পর থেকে ওই এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। আর ওই জেলার সংখ্যাগরিষ্ট হলো দিমাসা উপজাতীরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/কমল


























