১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

অনিয়মের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেমসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) এ আর ভুইয়া, প্লট বরাদ্দ পাওয়া আমির হোসেন দেওয়ান, এ কে এম সহিউজ্জামান, সহিউজ্জামানের স্ত্রী কামরুন নেছা, মো. মোশাররফ হোসেন, মো. জাকারিয়া চৌধুরী ও মশিয়ার রহমান।

সোমবার ঢাকার মতিঝিল থানায় দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতার বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশানে সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তির নামে বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে ইমারত নির্মাণের দায়ে দণ্ডবিধি ৪০৯, ১০৯ ও ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে তাদরে বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, গুলশান মডেল টাউনের ৮৩ নম্বর রোডে ৪৮.৬০ শতাংশের প্লটটির (৬ নম্বর এনইজি প্লট) মালিক ছিলেন প্রিন্স করিম আগা খানের মালিকানাধীন পিপলস জুট মিল। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হওয়ায় এর মালিক হয় সরকার।

১৯৯২ সালে ওই জায়গায় নতুন চারটি (হোল্ডিং নং- ২৮, ২৮(এ), ২৮(বি) ও ২৮(সি)) প্লট করা হয়। প্লটগুলো অবৈধভাবে আমির হোসেন দেওয়ান, মোশাররফ হোসেন, জাকারিয়া চৌধুরী ও মশিউর রহমানকে বরাদ্দ দেয়া হয়। রাজউক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

অনিয়মের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত : ১০:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেমসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) এ আর ভুইয়া, প্লট বরাদ্দ পাওয়া আমির হোসেন দেওয়ান, এ কে এম সহিউজ্জামান, সহিউজ্জামানের স্ত্রী কামরুন নেছা, মো. মোশাররফ হোসেন, মো. জাকারিয়া চৌধুরী ও মশিয়ার রহমান।

সোমবার ঢাকার মতিঝিল থানায় দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতার বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশানে সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তির নামে বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে ইমারত নির্মাণের দায়ে দণ্ডবিধি ৪০৯, ১০৯ ও ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে তাদরে বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, গুলশান মডেল টাউনের ৮৩ নম্বর রোডে ৪৮.৬০ শতাংশের প্লটটির (৬ নম্বর এনইজি প্লট) মালিক ছিলেন প্রিন্স করিম আগা খানের মালিকানাধীন পিপলস জুট মিল। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হওয়ায় এর মালিক হয় সরকার।

১৯৯২ সালে ওই জায়গায় নতুন চারটি (হোল্ডিং নং- ২৮, ২৮(এ), ২৮(বি) ও ২৮(সি)) প্লট করা হয়। প্লটগুলো অবৈধভাবে আমির হোসেন দেওয়ান, মোশাররফ হোসেন, জাকারিয়া চৌধুরী ও মশিউর রহমানকে বরাদ্দ দেয়া হয়। রাজউক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।