দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিকে সময়োপযোগী মন্তব্য করে বলেছেন, নির্বাচনী বছরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের চলমান ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নতুন মুদ্রানীতি সহায়ক হবে।
বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনবান্ধব মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারিখাতে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। এর আগের মুদ্রানীতিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ। ৭ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং ৬ শতাংশ বার্ষিক মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবারের মুদ্রানীতিতে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ নতুন মুদ্রানীতিকে নির্বাচনী বছরের জন্য কার্যকর মুদ্রানীতি উল্লেখ করে বলেছেন,এই মুদ্রানীতি খেলাপী ঋণ কমাতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে ২০১৮ সালে দেশে বিপুল বিনিয়োগ দরকার। এর জন্য বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ ১৯ থেকে ২০ শতাংশ হওয়া উচিত।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) পরিচালক হুমায়ুন রশীদ বলেন,এডিআর রেশিও কমানোর প্রভাব বিনিয়োগের ওপর পড়তে পারে।তিনি ঋণপ্রবাহ যেন উৎপাদনশীল খাতে যায় তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নতুন মুদ্রানীতি চলমান অর্থনৈতিক ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।


























