০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

অভিবাসন ব্যয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে দুদক

মালেয়শিয়া এবং সৌদি আরবের অভিবাসন ব্যয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে গত একবছরে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করেছে অভিবাসন প্রত্যাশীরা।

আর এই টাকার একটা বড় অংশ চুরি করেছেন এক শ্রেনির কর্মকর্তারা। মালেয়শিয়াতে জনপ্রতি ৩৮ হাজার টাকা খরচে ৫ লাখ লোক পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। তিন থেকে সাড়ে তিন লাখের নিচে কেউ যেতে পারছেন না বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। এ পর্যন্ত সেখানে গেছেন একলাখ কর্মী। সে হিসেবে গড়ে তিন লাখ টাকা করে খরচ হলেও তিন হাজার অভিবাসন গেছে মালেয়শিয়ার অভিবাসন খাতে। অন্যদিকে সৌদি আরবে ফ্রি ভিসার নামে দেওয়া ভিসাগুলো ৬ থেকে ৮ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, মালেয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করে দশ এজেন্সির সিন্ডিকেট যেখানে এ অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে। এরকম কতজনে কত রকমের খোলা এবং বেনামে চিঠি দেয়। এরকম চিঠির প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করলে ভালো হবে। যদি অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে দুদকের তদন্তে বেরিয়ে আসবে। রিক্রুটিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে আমরা যদি অভিযোগ পাই তাহলে সাসপেন্ড করে দিব। একদম লাইসেন্স বাতিল করে দিব। ওয়ারবি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের পদ্ধতিগতভাবে তদন্ত করবে এবং যারা অপরাধ করেছে তাদের শাস্তির মুখোমুখি করবে এবং সেটা দুদকের কাজ।

কিন্তু ইনডিভিজ্যুয়ালি আমরা জানি যে আইনটি আছে সেটার মাধ্যমে অনেককেই সাজা বা অভিযোগ দেওয়া যায় না। অতীতে এজেন্সিগুলোর জালিয়াতির জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নানান ব্যবস্থা নেওয়া হলেও কখনোই কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। বিদেশ যাবার চেষ্টায় নিঃস্ব হয়েছে শ্রমিক এটি নতুন কোন খবর নয়। যেমন নতুন কোন খবর নয় যে অভিবাসনকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয় আর সংস্থাগুলোর দুর্নীতি। কিন্তু নতুন খবর হচ্ছে, মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

তাদের কাছে তথ্য রয়েছে গত একবছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে শুধুমাত্র সৌদি আরব আর মালেয়শিয়ার অভিবাসনকে কেন্দ্র করে। যার একটি বড় প্রভাব থাকবে আগামী বছরের অর্থনীতিতে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধানের পটুয়াখালী ও খুলনা পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা

অভিবাসন ব্যয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে দুদক

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মালেয়শিয়া এবং সৌদি আরবের অভিবাসন ব্যয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে গত একবছরে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করেছে অভিবাসন প্রত্যাশীরা।

আর এই টাকার একটা বড় অংশ চুরি করেছেন এক শ্রেনির কর্মকর্তারা। মালেয়শিয়াতে জনপ্রতি ৩৮ হাজার টাকা খরচে ৫ লাখ লোক পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। তিন থেকে সাড়ে তিন লাখের নিচে কেউ যেতে পারছেন না বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। এ পর্যন্ত সেখানে গেছেন একলাখ কর্মী। সে হিসেবে গড়ে তিন লাখ টাকা করে খরচ হলেও তিন হাজার অভিবাসন গেছে মালেয়শিয়ার অভিবাসন খাতে। অন্যদিকে সৌদি আরবে ফ্রি ভিসার নামে দেওয়া ভিসাগুলো ৬ থেকে ৮ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, মালেয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করে দশ এজেন্সির সিন্ডিকেট যেখানে এ অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে। এরকম কতজনে কত রকমের খোলা এবং বেনামে চিঠি দেয়। এরকম চিঠির প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করলে ভালো হবে। যদি অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে দুদকের তদন্তে বেরিয়ে আসবে। রিক্রুটিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে আমরা যদি অভিযোগ পাই তাহলে সাসপেন্ড করে দিব। একদম লাইসেন্স বাতিল করে দিব। ওয়ারবি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের পদ্ধতিগতভাবে তদন্ত করবে এবং যারা অপরাধ করেছে তাদের শাস্তির মুখোমুখি করবে এবং সেটা দুদকের কাজ।

কিন্তু ইনডিভিজ্যুয়ালি আমরা জানি যে আইনটি আছে সেটার মাধ্যমে অনেককেই সাজা বা অভিযোগ দেওয়া যায় না। অতীতে এজেন্সিগুলোর জালিয়াতির জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নানান ব্যবস্থা নেওয়া হলেও কখনোই কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। বিদেশ যাবার চেষ্টায় নিঃস্ব হয়েছে শ্রমিক এটি নতুন কোন খবর নয়। যেমন নতুন কোন খবর নয় যে অভিবাসনকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয় আর সংস্থাগুলোর দুর্নীতি। কিন্তু নতুন খবর হচ্ছে, মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

তাদের কাছে তথ্য রয়েছে গত একবছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে শুধুমাত্র সৌদি আরব আর মালেয়শিয়ার অভিবাসনকে কেন্দ্র করে। যার একটি বড় প্রভাব থাকবে আগামী বছরের অর্থনীতিতে।