হালুম, টুকটুকি, সিকু, ইকরির লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে শনিবার জড়ো হয়েছিলো বইমেলায় আসা শিশুরা, সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকরাও। ৬ বছরের অনিন্দ্য চৌধুরী শিশু মঞ্চে ওঠে নাচানাচি করছে।
জানতে চাইলে সে বলল, ‘আমার কাছে খুব ভালো লাগছে।’ এরপর সে তার মাকে উদ্দেশ করে বলে, ‘আম্মু তুমি এখানে (শিশু মঞ্চ) দাঁড়িয়ে থাকো, আমি নেচে আসি।’ চন্দ্র শেখর নামে এক অভিভাবক বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, ‘আজকের শিশুরা বাসায় থেকে ইলেক্ট্রনিক্স খেলনানির্ভর হয়ে যাচ্ছে? এতে বইয়ের সঙ্গে তাদের পরিচয় হচ্ছে না? এখানে এসে তারা বইয়ের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে এবং ধীরে ধীরে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠবে? সেজন্য আমি আমার শিশুকে এখানে নিয়ে এসেছি।’
চন্দ্র শেখরের সঙ্গে কথা হচ্ছিল শিশু মঞ্চের পাশে, যেখানে তখন চলছিল টুকটুকি-হালুম-ইকরি-সিকুর লাইভ পারফরম্যান্স। প্রতি বছর বইমেলার শিশু মঞ্চে এ আয়োজন করে থাকে সিসিমপুর। এবারও ব্যত্যয় হয়নি। চলছে টুকটুকি, হালুম, ইকরি ও সিকুর পারফরম্যান্স শনিবার লাইভ পারফরম্যান্সের শুরুতে মঞ্চে আসে টুকটুকি। এসেই নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলে, দআমার নাম টুকটুকি। বই পড়তে ভালোবাসি।
আমার মাথায় বড় চুল, তাই আমি বেনী করি।দ এরপর অনেকক্ষণ চলল টুকটুকির সঙ্গে শিশুদের হাত মেলানো। এরপর মঞ্চে ডাকা হয় মাছ খাওয়া হালুমকে। সেও এসে বলে দমাছ ভাজা, খেতে কি মজা। তাইতো আমি বেশি বেশি মাছ খাই।দ পাশাপাশি টুকটুকির সঙ্গে নাচানচি। একইসঙ্গে পাশের শিশুদের সঙ্গে চললো হাত মেলানোও। এরপর মঞ্চে আসলো প্রশ্ন করতে ভালোবাসা ইকরি। সেও এসে বললো, দআমি ইকরি, প্রশ্ন করতে ভালোবাসি। কারণ প্রশ্ন করলে সবকিছু জানা যায়।
এদিকে, বইমেলাতে শনিবার ছয়টি শিশুতোষ বই এসেছে। বইগুলো হলো- দিচ্ছি পাড়ি মামার বাড়ি, ইকরিদের নতুন খেলা, আগুন ও হালুমের পাসেস, খোকামিয়া ও গাছপাকা আম, সিসিমপুরের লুকোচুরি খেলা। প্রকাশকরা জানালেন, মেলায় আসা শিশুতোষ বই ভালোই বিক্রি হচ্ছে।

























