‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫’ অধিকতর সংশোধন করে আরও যুগোপযোগী ও আধুনিকীকরণের জন্য প্রস্তাবনা প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার।
সম্প্রতি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করে আদেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর শ্রম বিধিমালা সংশোধনে কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
পুনর্গঠিত কমিটির আহ্বায়ক শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শ্রম)। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শকের প্রতিনিধি, শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) প্রতিনিধি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রতিনিধি, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান, ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশনের (এনসিসিডবিউই) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) ইন্ডাস্ট্রিঅলের মহাসচিব।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (শ্রম)/উপসচিব (শ্রম) কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটি বাংলাদেশ শ্রম আইনের উদ্দেশ্য পূরণে এই আইনের ধারা ৩৫১ অনুযায়ী বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সংশোধনের জন্য প্রস্তাব প্রণয়ন করবে।
কমিটিকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সংশোধিত বিধিমালার একটি খসড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে দাখিল করবেন। কমিটি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কোনো সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।






















