অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের নূন্যতম রপ্তানিমূল্য তুলে নিয়েছে ভারত। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
এর ফলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রোতারা আপাতত স্বাধীন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শনিবার নাসিকসহ দেশটির পাইকারি বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৫ থেকে ১৮ রুপি কমে ২০ থেকে ২৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছিল। এর আগে বাজারে গত নভেম্বরে পেঁয়াজ সংকট সামাল দিতে নূন্যতম রপ্তানিমূল্য ৪৩০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ ডলার করে ভারত। তখন ভারতীয় বাজারে পেঁয়াজের দর প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ রুপিতে পৌঁছে।
দাম কমতে থাকায় গত ১৯ জানুয়ারি সর্বনিম্ন রপ্তানিসীমা দেড়শ ডলার কমিয়ে ৭০০ ডলার নির্ধারণ করে দেশটি। ভারতের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের দাম ৩০ রুপি ধরলে এখন থেকে ৪৭০ ডলার খরচ করে প্রতি টন পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। খরিফ মওসুমের লাল পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে থাকায় ভারতে পেঁয়াজের দাম কমে ১৫ থেকে ২০ রুপিতে নামবে বলে আভাস রয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে।
ভারতের পেঁয়াজের নূন্যতম রপ্তানিমূল্য বাড়ার খবরের সঙ্গে সঙ্গে এই অযুহাতে বাংলাদেশের বাজারে দর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দর বাড়লেও দুদিন আগের কমানোর খবরের কোনো প্রভাব দেশের বাজারে পড়েনি। শুক্রবারও আগের মতোই ঢাকার পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ হারুন বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, এখন থেকে ভারতের মোকামে যে মূল্যে আমদানিকারকেরা পেঁয়াজ কিনবেন, তার সঙ্গে কেবল যুক্ত হবে পরিবহন খরচ।
রোববার থেকে নতুন মূল্যে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।


























