১১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

বছরে ১ হাজার টাকার ইন্সুরেন্স

প্রতি শ্রমিককে দিনে ১ টাকা করে বছরে ৩৬৫ টাকা, মালিকপক্ষকে ৩৬৫ টাকা এবং সরকারকে ২৭০ টাকা দিয়ে বছরে মোট ১০০০ টাকার ইন্সুরেন্সের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্স প্রদানে জাতীয় ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির আলোচনায় এ প্রস্তাব প্রদান করা হয়। রবিবার সকালে ব্রাক ইন সেন্টারে এক আরোচনাসভায় এই প্রস্তাবনার কথা বলা হয়। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহাদাৎ হোসাইন মাহমুদ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সেন্ট্রাল ফান্ডের মহাপরিচালক আমির হোসেন এবং ইন্সুরেন্স ডেভলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটি’র সদস্য মইনুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকনোমিকস এর গবেষক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ তার প্রস্তাবনায় দেখান ৪ বছর ব্যাপী একটি পলিসিতে শ্রমিক তার স্বাস্থ্য সেবার নিরাপত্তার কিছুটা নিশ্চিত করতে হবে। সভায় শ্রমিকের সঙ্গে শ্রমিকের পরিবারের স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্সের বিষয়টিতেও নজর দেয়া এবং ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়া হয়। সরকারের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও সকর স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

বছরে ১ হাজার টাকার ইন্সুরেন্স

প্রকাশিত : ১২:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

প্রতি শ্রমিককে দিনে ১ টাকা করে বছরে ৩৬৫ টাকা, মালিকপক্ষকে ৩৬৫ টাকা এবং সরকারকে ২৭০ টাকা দিয়ে বছরে মোট ১০০০ টাকার ইন্সুরেন্সের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্স প্রদানে জাতীয় ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির আলোচনায় এ প্রস্তাব প্রদান করা হয়। রবিবার সকালে ব্রাক ইন সেন্টারে এক আরোচনাসভায় এই প্রস্তাবনার কথা বলা হয়। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহাদাৎ হোসাইন মাহমুদ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সেন্ট্রাল ফান্ডের মহাপরিচালক আমির হোসেন এবং ইন্সুরেন্স ডেভলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটি’র সদস্য মইনুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকনোমিকস এর গবেষক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ তার প্রস্তাবনায় দেখান ৪ বছর ব্যাপী একটি পলিসিতে শ্রমিক তার স্বাস্থ্য সেবার নিরাপত্তার কিছুটা নিশ্চিত করতে হবে। সভায় শ্রমিকের সঙ্গে শ্রমিকের পরিবারের স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্সের বিষয়টিতেও নজর দেয়া এবং ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়া হয়। সরকারের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও সকর স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।