১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারের এক শহরেই ৮ বিক্ষোভকারীকে হত্যা

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় শহর অংবান-এ অভ্যুত্থানবিরোধীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে আট বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। দেশটির শেষকৃত্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে নিউজ পোর্টাল মিয়ানমার নাউ জানিয়েছে, শুক্রবার সংঘাতের সময় নিরাপত্তা বাহিনী গুলিবর্ষণ শুরু করলে তাদের মৃত্যু হয়। মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান শুরু থেকেই দেশটির জনগণের প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। ব্যাপক দমনপীড়ন ও নিরাপত্তা বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ উপেক্ষা করে রাস্তায় নামছে মানুষ। প্রতিদিন বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। অ্যাডভোকেসি গ্রুপ অ্যাসিসট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অংবান শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্ষোভকারী বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তখনই গুলি চালানো হয়। অংবান শহরে শেষকৃত্যের সেবা দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, আট বিক্ষোভকারী মারা গেছে। এর মধ্যে সাত জনই মারা গেছে ঘটনাস্থলে। অন্যজনকে কাছের কালাও শহরের হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ এই হত্যাযজ্ঞ নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি মিয়ানমারের সেনা সরকারের মুখপাত্র।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৮০০ কোটি টাকার জমি ৪০০ কোটিতে বিক্রির ছক: স্বার্থান্বেষী চক্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

মিয়ানমারের এক শহরেই ৮ বিক্ষোভকারীকে হত্যা

প্রকাশিত : ১২:০১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় শহর অংবান-এ অভ্যুত্থানবিরোধীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে আট বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। দেশটির শেষকৃত্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে নিউজ পোর্টাল মিয়ানমার নাউ জানিয়েছে, শুক্রবার সংঘাতের সময় নিরাপত্তা বাহিনী গুলিবর্ষণ শুরু করলে তাদের মৃত্যু হয়। মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান শুরু থেকেই দেশটির জনগণের প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। ব্যাপক দমনপীড়ন ও নিরাপত্তা বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ উপেক্ষা করে রাস্তায় নামছে মানুষ। প্রতিদিন বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। অ্যাডভোকেসি গ্রুপ অ্যাসিসট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অংবান শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্ষোভকারী বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তখনই গুলি চালানো হয়। অংবান শহরে শেষকৃত্যের সেবা দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, আট বিক্ষোভকারী মারা গেছে। এর মধ্যে সাত জনই মারা গেছে ঘটনাস্থলে। অন্যজনকে কাছের কালাও শহরের হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ এই হত্যাযজ্ঞ নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি মিয়ানমারের সেনা সরকারের মুখপাত্র।