১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের অভূতপূর্ব সহযোগিতা করেছে। এদেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল, তাই আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। শনিবার দুপুরে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর-কোলকাতা স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানিদের অত্যাচার থেকে দেশকে রক্ষা ও বিশ্ব জনমত সৃষ্টির জন্য ১৯৭১ সালে এই পথ ধরেই তৎকালীন জাতীয় চার নেতা, বিদেশি সাংবাদিকসহ অন্যরা ভারত থেকে মুজিবনগর এসেছিলেন। যে কারণে, বাঙালি জাতির কাছে এই রাস্তাটির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ অথবা ২৭ মার্চ ঐতিহাসিক মুজিবনগরের স্বাধীনতা সড়ক (মুজিবনগর-কোলকাতা) উদ্বোধন করবেন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে এই সড়ক স্থাপনের চুক্তি অনুযায়ী আমরা আমাদের অংশের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। ভারতের অংশের কাজ করবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ খান, জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মুনসুর আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় মুজিবনগর আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করেন। মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয়। জাতীয় চার নেতাসহ অন্য নেতারা, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ভারত থেকে এই সড়ক দিয়ে মুজিবনগরে প্রবেশ করেছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সড়কটির নাম জড়িয়ে থাকায় তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৮০০ কোটি টাকার জমি ৪০০ কোটিতে বিক্রির ছক: স্বার্থান্বেষী চক্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল

প্রকাশিত : ১২:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের অভূতপূর্ব সহযোগিতা করেছে। এদেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল, তাই আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। শনিবার দুপুরে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর-কোলকাতা স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানিদের অত্যাচার থেকে দেশকে রক্ষা ও বিশ্ব জনমত সৃষ্টির জন্য ১৯৭১ সালে এই পথ ধরেই তৎকালীন জাতীয় চার নেতা, বিদেশি সাংবাদিকসহ অন্যরা ভারত থেকে মুজিবনগর এসেছিলেন। যে কারণে, বাঙালি জাতির কাছে এই রাস্তাটির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ অথবা ২৭ মার্চ ঐতিহাসিক মুজিবনগরের স্বাধীনতা সড়ক (মুজিবনগর-কোলকাতা) উদ্বোধন করবেন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে এই সড়ক স্থাপনের চুক্তি অনুযায়ী আমরা আমাদের অংশের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। ভারতের অংশের কাজ করবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ খান, জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মুনসুর আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় মুজিবনগর আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করেন। মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয়। জাতীয় চার নেতাসহ অন্য নেতারা, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ভারত থেকে এই সড়ক দিয়ে মুজিবনগরে প্রবেশ করেছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সড়কটির নাম জড়িয়ে থাকায় তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার।