১২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা কমেছে ২৯ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৯ হাজার কোটি টাকা কমিয়েছে সরকার। বাজেটের নির্ধারিত ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে কমিয়ে সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ এক হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। করোনা মহামারিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনা করে সম্প্রতি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে। সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটে এক লাখ এক হাজার কোটি টাকা, আয়কর ও ভ্রমণ করে ৯৭ হাজার কোটি এবং আমদানি শুল্কে ৯৪ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। যদিও এর আগে জাতীয় বাজেটে ভ্যাটে এক লাখ ২৮ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা, আয়কর ও ভ্রমণ করে এক লাখ ৫ হাজার ৪৭৫ কোটি এবং আমদানি শুল্কে ৯৫ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। রাজস্ব সংশ্লিষ্ট এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, মূলত করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিরূপ প্রভাবের কারণে গত অর্থবছরের তুলনায় জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। চলতি অর্থবছরের জুন-জানুয়ারি পর্যন্ত আদায় এক লাখ ৩২ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে এনবিআর। যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪০ শতাংশের মতো। বাকি সময়ে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা, তা পূরণ হওয়া অসম্ভব। যদিও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম করোনার সময়ে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের এমন প্রবৃদ্ধিকে আশাব্যঞ্জক বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে স্বাভাবিক পরিবেশ ছিল। এ বছর করোনা মহামারির মধ্যেও এমন প্রবৃদ্ধি কম অর্জন নয়। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার পথে হাঁটছে এনবিআর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৮০০ কোটি টাকার জমি ৪০০ কোটিতে বিক্রির ছক: স্বার্থান্বেষী চক্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা কমেছে ২৯ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ১২:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ মার্চ ২০২১

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৯ হাজার কোটি টাকা কমিয়েছে সরকার। বাজেটের নির্ধারিত ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে কমিয়ে সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ এক হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। করোনা মহামারিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনা করে সম্প্রতি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে। সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটে এক লাখ এক হাজার কোটি টাকা, আয়কর ও ভ্রমণ করে ৯৭ হাজার কোটি এবং আমদানি শুল্কে ৯৪ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। যদিও এর আগে জাতীয় বাজেটে ভ্যাটে এক লাখ ২৮ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা, আয়কর ও ভ্রমণ করে এক লাখ ৫ হাজার ৪৭৫ কোটি এবং আমদানি শুল্কে ৯৫ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। রাজস্ব সংশ্লিষ্ট এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, মূলত করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিরূপ প্রভাবের কারণে গত অর্থবছরের তুলনায় জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। চলতি অর্থবছরের জুন-জানুয়ারি পর্যন্ত আদায় এক লাখ ৩২ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে এনবিআর। যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪০ শতাংশের মতো। বাকি সময়ে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা, তা পূরণ হওয়া অসম্ভব। যদিও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম করোনার সময়ে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের এমন প্রবৃদ্ধিকে আশাব্যঞ্জক বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে স্বাভাবিক পরিবেশ ছিল। এ বছর করোনা মহামারির মধ্যেও এমন প্রবৃদ্ধি কম অর্জন নয়। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার পথে হাঁটছে এনবিআর।