০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বদলে যাবে দক্ষিণের অর্থনীতি

  • বাবুল হৃদয়
  • প্রকাশিত : ১২:০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১
  • 57

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের দুটি প্রকল্পের কাজ। প্রকল্প দুটি হলো- ‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ এবং ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদি উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’। কিন্তু করোনা মহামারি অন্য সব কিছুর মতোই এই প্রকল্পের কাজও পিছিয়ে দিয়েছে। যে কারণে সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের তালিকাভুক্ত এই প্রকল্প দুটির সময় ও ব্যয় বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন হলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে। এজন্য এই প্রকল্প দুটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রায় ছয় হাজার একর জায়গার ওপর গড়ে উঠছে সমগ্র পায়রা সমুদ্রবন্দর। এ বন্দরে তৈরি হচ্ছে কন্টেইনার, বাল্ক, সাধারণ কার্গো, এলএনজি, পেট্রোলিয়াম ও যাত্রী টার্মিনাল। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প, সিমেন্ট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, সার কারখানা, তেল শোধনাগার ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পসহ আরও অনেক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর। জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ও বালিয়াতলী সংলগ্ন রামনাবাদ চ্যানেল ও আন্ধারমানিক নদীর তীরবর্তী টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া স্থানে এ বন্দর অবস্থিত। ২০১৩ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। একই বছরের ১৩ আগস্ট বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাস্ট ট্র্যাক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারির কারণে প্রকল্প দুটির ৬টি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো হলো- ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পুনর্বাসনের ১৪টি প্যাকেজের কাজ, নির্মাণাধীন জলযানগুলোর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও জাহাজের ট্রায়াল ডেলিভারি, প্রশিক্ষণ ও বন্দরের সম্পূর্ণ মাস্টারপ্ল্যান কার্যক্রম। তবে বর্তমানে পূর্ণ গতিতে কাজ চলছে এই প্রকল্পে। গত জানুয়ারি পর্যন্ত এ প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৭৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮০ দশমিক ২৬ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য মতে, ‘পায়রা সমুদ্রবন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময় ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী করে মেয়াদকাল বাড়িয়ে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। তিন হাজার ৯৮২ কোটি টাকা থেকে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে চার হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদির উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০১৫ সালের আগস্ট থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। সরকারি অর্থায়নে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে চার হাজার ৩৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। প্রকল্পের সার্বিক আর্থিক অগ্রগতি ৬১ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও বাস্তব অগ্রগতি ৭২ দশমিক ১২ শতাংশ।
পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে যেসব সুবিধা মিলবে : সমুদ্রের তীরবর্তী হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ গভীর সমুদ্রবন্দর হিসেবে এটি গড়ে ওঠার পর প্রতিবেশী দেশগুলো ট্রানজিট সুবিধা নিতে আগ্রহী হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত ও চীনের সমন্বিত উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে গড়ে উঠছে ইকোনমিক করিডোর। ভৌগলিক অবস্থানগত সুবিধার কারণে সমুদ্রপথে সিল্ক রুটের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে পায়রা বন্দরের। বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের পর সবচেয়ে গতিশীল হচ্ছে জাহাজ নির্মাণ শিল্প। দেশে ছোটোখাটো শতাধিক জাহাজ নির্মাণ কারখানা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে জাহাজ শিল্পে প্রায় চার হাজার কোটি ডলারের বাজারে বাংলাদেশেরও অংশীদার আছে। এ শিল্প খাতে অচিরেই বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা রফতানিকারক দেশ। তবে এ খাতের অন্যতম সমস্যা হলো চ্যানেলের স্বল্প গভীরতা। পায়রা বন্দর চালু হলে তুলনামূলক গভীর রাবনাবাদ চ্যানেলের সুবিধা নিতে অনেকেই তাদের শিল্প স্থাপনা সরিয়ে আনবেন এখানে। পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে ৫টি কয়লাচালিত বিদ্যুৎ স্থাপনা গড়ে তুলছে সরকার। ইতোমধ্যে পায়রা বন্দরে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। বন্দর নির্মাণে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ইপিজেড, এসইজেড, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত খাতে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। নতুন শিল্প এলাকা গড়ে ওঠার সুবাদে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার অধিবাসীরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

বদলে যাবে দক্ষিণের অর্থনীতি

প্রকাশিত : ১২:০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের দুটি প্রকল্পের কাজ। প্রকল্প দুটি হলো- ‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ এবং ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদি উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’। কিন্তু করোনা মহামারি অন্য সব কিছুর মতোই এই প্রকল্পের কাজও পিছিয়ে দিয়েছে। যে কারণে সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের তালিকাভুক্ত এই প্রকল্প দুটির সময় ও ব্যয় বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন হলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে। এজন্য এই প্রকল্প দুটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রায় ছয় হাজার একর জায়গার ওপর গড়ে উঠছে সমগ্র পায়রা সমুদ্রবন্দর। এ বন্দরে তৈরি হচ্ছে কন্টেইনার, বাল্ক, সাধারণ কার্গো, এলএনজি, পেট্রোলিয়াম ও যাত্রী টার্মিনাল। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প, সিমেন্ট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, সার কারখানা, তেল শোধনাগার ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পসহ আরও অনেক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর। জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ও বালিয়াতলী সংলগ্ন রামনাবাদ চ্যানেল ও আন্ধারমানিক নদীর তীরবর্তী টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া স্থানে এ বন্দর অবস্থিত। ২০১৩ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। একই বছরের ১৩ আগস্ট বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাস্ট ট্র্যাক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারির কারণে প্রকল্প দুটির ৬টি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো হলো- ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পুনর্বাসনের ১৪টি প্যাকেজের কাজ, নির্মাণাধীন জলযানগুলোর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও জাহাজের ট্রায়াল ডেলিভারি, প্রশিক্ষণ ও বন্দরের সম্পূর্ণ মাস্টারপ্ল্যান কার্যক্রম। তবে বর্তমানে পূর্ণ গতিতে কাজ চলছে এই প্রকল্পে। গত জানুয়ারি পর্যন্ত এ প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৭৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮০ দশমিক ২৬ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য মতে, ‘পায়রা সমুদ্রবন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময় ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী করে মেয়াদকাল বাড়িয়ে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। তিন হাজার ৯৮২ কোটি টাকা থেকে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে চার হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদির উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০১৫ সালের আগস্ট থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। সরকারি অর্থায়নে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে চার হাজার ৩৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। প্রকল্পের সার্বিক আর্থিক অগ্রগতি ৬১ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও বাস্তব অগ্রগতি ৭২ দশমিক ১২ শতাংশ।
পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে যেসব সুবিধা মিলবে : সমুদ্রের তীরবর্তী হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ গভীর সমুদ্রবন্দর হিসেবে এটি গড়ে ওঠার পর প্রতিবেশী দেশগুলো ট্রানজিট সুবিধা নিতে আগ্রহী হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত ও চীনের সমন্বিত উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে গড়ে উঠছে ইকোনমিক করিডোর। ভৌগলিক অবস্থানগত সুবিধার কারণে সমুদ্রপথে সিল্ক রুটের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে পায়রা বন্দরের। বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের পর সবচেয়ে গতিশীল হচ্ছে জাহাজ নির্মাণ শিল্প। দেশে ছোটোখাটো শতাধিক জাহাজ নির্মাণ কারখানা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে জাহাজ শিল্পে প্রায় চার হাজার কোটি ডলারের বাজারে বাংলাদেশেরও অংশীদার আছে। এ শিল্প খাতে অচিরেই বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা রফতানিকারক দেশ। তবে এ খাতের অন্যতম সমস্যা হলো চ্যানেলের স্বল্প গভীরতা। পায়রা বন্দর চালু হলে তুলনামূলক গভীর রাবনাবাদ চ্যানেলের সুবিধা নিতে অনেকেই তাদের শিল্প স্থাপনা সরিয়ে আনবেন এখানে। পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে ৫টি কয়লাচালিত বিদ্যুৎ স্থাপনা গড়ে তুলছে সরকার। ইতোমধ্যে পায়রা বন্দরে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। বন্দর নির্মাণে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ইপিজেড, এসইজেড, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত খাতে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। নতুন শিল্প এলাকা গড়ে ওঠার সুবাদে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার অধিবাসীরা।