০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে এবার গেরিলা বিক্ষোভের ডাক

নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদে রাতভর মোম জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন মিয়ানমারের আন্দোলনকারীরা। এদিকে শুক্রবার থেকে দেশটির তারবিহীন ইন্টারনেট যোগাযোগ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জান্তা সরকার। যোগাযোগের উপায় সীমিত হয়ে যাওয়ায় আগামী দিনগুলোতে গেরিলা কায়দায় বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সু চির নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারের রাজপথে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৪৩ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি চলছে। স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষক গ্রুপের হিসেব অনুযায়ী দেশটির বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫৩৬ জন। বিক্ষোভ ঠেকাতে ইন্টারনেটের ওপর আগে থেকেই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে জান্তা সরকার। নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করায় দেশটিতে এখন কেবল ফিক্সড-লাইনেই ইন্টারনেট সেবা চালু রয়েছে। এই নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখতে অভ্যুত্থানবিরোধীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সচল রাখার উপায় খুঁজছেন। রেডিও তরঙ্গ, অফলাইন ইন্টারনেট ব্যবহোরের নিয়ম এবং মোবাইল বার্তার মাধ্যমে নিউজ এলার্ট সরবরাহকারীদের নাম্বার বিনিময় করে যোগাযোগ সচল রাখতে চাইছেন তারা। বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তায় বিভিন্ন বাস স্টপে ‘ফুল হামলা’ চালানোর ডাক দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের নেতা খিন সদর এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আগামীকাল (শুক্রবার) আমরা বাস স্টপগুলোতে ফুল রেখে আসবো। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে এটুকুই আমি আপনাদের জানাতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে সড়কে আরও বিক্ষোভ হবে। যত বেশি সম্ভব গেরিলা আঘাত হানুন। আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। চলুন ফের রেডিও শুনি, একে অপরকে ফোন করি।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

মিয়ানমারে এবার গেরিলা বিক্ষোভের ডাক

প্রকাশিত : ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১

নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদে রাতভর মোম জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন মিয়ানমারের আন্দোলনকারীরা। এদিকে শুক্রবার থেকে দেশটির তারবিহীন ইন্টারনেট যোগাযোগ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জান্তা সরকার। যোগাযোগের উপায় সীমিত হয়ে যাওয়ায় আগামী দিনগুলোতে গেরিলা কায়দায় বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সু চির নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারের রাজপথে প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৪৩ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি চলছে। স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষক গ্রুপের হিসেব অনুযায়ী দেশটির বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫৩৬ জন। বিক্ষোভ ঠেকাতে ইন্টারনেটের ওপর আগে থেকেই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে জান্তা সরকার। নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করায় দেশটিতে এখন কেবল ফিক্সড-লাইনেই ইন্টারনেট সেবা চালু রয়েছে। এই নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখতে অভ্যুত্থানবিরোধীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সচল রাখার উপায় খুঁজছেন। রেডিও তরঙ্গ, অফলাইন ইন্টারনেট ব্যবহোরের নিয়ম এবং মোবাইল বার্তার মাধ্যমে নিউজ এলার্ট সরবরাহকারীদের নাম্বার বিনিময় করে যোগাযোগ সচল রাখতে চাইছেন তারা। বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তায় বিভিন্ন বাস স্টপে ‘ফুল হামলা’ চালানোর ডাক দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের নেতা খিন সদর এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আগামীকাল (শুক্রবার) আমরা বাস স্টপগুলোতে ফুল রেখে আসবো। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে এটুকুই আমি আপনাদের জানাতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে সড়কে আরও বিক্ষোভ হবে। যত বেশি সম্ভব গেরিলা আঘাত হানুন। আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। চলুন ফের রেডিও শুনি, একে অপরকে ফোন করি।’