০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের রফতানি ৫৮, আমদানি ৫৩ শতাংশ বেড়েছে

প্রকৌশল, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও লৌহ আকরিকের মতো খাতগুলোর কল্যাণে গেল মার্চে ভারতের রফতানি গত বছরের তুলনায় ৫৮ শতাংশের বেশি বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে আমদানি ৫৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন। এই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ১৪ বিলিয়ন; যা গত বছর ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই খাতগুলোর কল্যাণে দেশটির প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে। ২০২১ সালে মার্চে ভারতের ৩৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ। মহামারি করোনার প্রকোপ শুরুর কারণে, বিশেষ করে লকডাউন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকায় ২০২০ সালের মার্চে দেশটির রফতানির পরিমাণ কমেছিল ৩৫ শতাংশ। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হালনাগাদ প্রাথমিক হিসাবে অবশ্য ২০১৯-২০ সালের ৩১৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় গোটা বছরে ভারতের রফতানি ৭ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ২৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২০-২১ বছরে আমদানির পরিমাণও ১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ ডলারে। ভারতে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘গেল মার্চ মাসে মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড: পণ্যদ্রব্য রফতানি ৫৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৪ বিলিয়ন ডলার; যা ভারতের ইতিহাসে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। মহামারি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী মোদির নীতিমালা ভারতীয় অর্থনীতিকে ঐতিহাসিক এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’টাইমস অব ইন্ডিয়ার শুক্রবারের প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়ে লেখা হয়েছে নীতিনির্ধারকদের পক্ষে আনন্দদায়ক বিষয় হলো মার্চ মাসে ‘অ-তেল’ রফতানি ৬২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির দ্বারা মারাত্মকভাবে কঠোরভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বিশ্ব বাণিজ্য এখন একটি পুনরুদ্ধারের পথে যেতে শুরুর লক্ষণ দেখা দিয়েছে। বুধবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) তার সর্বশেষ পূর্বানুমানে বলেছে, বিশ্বব্যাপী পণ্যদ্রব্যের বাণিজ্য গত বছর হ্রাসের পরে ২০২১ সালে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতীয় পণ্য রফতানির প্রধান দুই বাজার যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে করে ভারতের রফতানি প্রবৃদ্ধি আরও উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

ভারতের রফতানি ৫৮, আমদানি ৫৩ শতাংশ বেড়েছে

প্রকাশিত : ১২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১

প্রকৌশল, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও লৌহ আকরিকের মতো খাতগুলোর কল্যাণে গেল মার্চে ভারতের রফতানি গত বছরের তুলনায় ৫৮ শতাংশের বেশি বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে আমদানি ৫৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন। এই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ১৪ বিলিয়ন; যা গত বছর ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই খাতগুলোর কল্যাণে দেশটির প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে। ২০২১ সালে মার্চে ভারতের ৩৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ। মহামারি করোনার প্রকোপ শুরুর কারণে, বিশেষ করে লকডাউন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকায় ২০২০ সালের মার্চে দেশটির রফতানির পরিমাণ কমেছিল ৩৫ শতাংশ। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হালনাগাদ প্রাথমিক হিসাবে অবশ্য ২০১৯-২০ সালের ৩১৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় গোটা বছরে ভারতের রফতানি ৭ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ২৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২০-২১ বছরে আমদানির পরিমাণও ১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ ডলারে। ভারতে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘গেল মার্চ মাসে মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড: পণ্যদ্রব্য রফতানি ৫৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৪ বিলিয়ন ডলার; যা ভারতের ইতিহাসে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। মহামারি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী মোদির নীতিমালা ভারতীয় অর্থনীতিকে ঐতিহাসিক এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’টাইমস অব ইন্ডিয়ার শুক্রবারের প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়ে লেখা হয়েছে নীতিনির্ধারকদের পক্ষে আনন্দদায়ক বিষয় হলো মার্চ মাসে ‘অ-তেল’ রফতানি ৬২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির দ্বারা মারাত্মকভাবে কঠোরভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বিশ্ব বাণিজ্য এখন একটি পুনরুদ্ধারের পথে যেতে শুরুর লক্ষণ দেখা দিয়েছে। বুধবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) তার সর্বশেষ পূর্বানুমানে বলেছে, বিশ্বব্যাপী পণ্যদ্রব্যের বাণিজ্য গত বছর হ্রাসের পরে ২০২১ সালে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতীয় পণ্য রফতানির প্রধান দুই বাজার যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে করে ভারতের রফতানি প্রবৃদ্ধি আরও উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।