০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বইমেলা নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

দেশে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী সোমবার থেকে সারাদেশ এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। শনিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তবে এই সময়ে বইমেলা চলবে কিনা তা নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে বাংলা একাডেমি। এ প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘আমরা সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। নির্দেশনা মেনেই করোনার মধ্যে বইমেলা হয়েছে। এখন সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেভাবেই আমরা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো।’ এ বিষয়ে শনিবার বিকেলে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন অমর একুশে বইমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘লকডাউনে বইমেলা চলবে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিকেলে বসবো। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে অবিলম্বে বইমেলা, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্রসহ সব ধরনের মেলা বন্ধ করার সুপারিশ করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, লকডাউন দিলে বন্ধ হতে পারে বইমেলা। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, লকডাউন হলে তো সবই বন্ধ থাকবে, বইমেলাও বন্ধ থাকবে, তাই তো হওয়ার কথা। কালকের দিনটা দেখি। তিনি বলেন, এখনও কোনো প্রজ্ঞাপন আসেনি। কোভিডের কারণে তো সমাবেশ নিষিদ্ধ আছে। লকডাউন দিলে তো বইমেলা চালানোর সুযোগই নেই। শুধু কলকারখানা খোলা থাকবে হয়তো, বাকি সবকিছু বন্ধ। যেগুলো খোলা থাকবে, সেগুলোও স্বল্প পরিসরে। তবে লকডাউন দিলেও সীমিত পরিসরে বইমেলা চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকাশকরা। তারা বলছেন, করোনার কারণে এবারের বইমেলাতে এমনিতেই বেচকেনা নেই। এরপর যদি লকডাউন দেওয়া হয় এবং বইমেলা বন্ধ হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা পৌঁছাবে চরমে। তাই সীমিত পরিসরে হলেও বইমেলা উন্মুক্ত রাখার দাবি তাদের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

বইমেলা নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

প্রকাশিত : ১২:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১

দেশে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী সোমবার থেকে সারাদেশ এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। শনিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তবে এই সময়ে বইমেলা চলবে কিনা তা নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে বাংলা একাডেমি। এ প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘আমরা সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। নির্দেশনা মেনেই করোনার মধ্যে বইমেলা হয়েছে। এখন সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেভাবেই আমরা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো।’ এ বিষয়ে শনিবার বিকেলে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন অমর একুশে বইমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘লকডাউনে বইমেলা চলবে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিকেলে বসবো। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে অবিলম্বে বইমেলা, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্রসহ সব ধরনের মেলা বন্ধ করার সুপারিশ করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, লকডাউন দিলে বন্ধ হতে পারে বইমেলা। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, লকডাউন হলে তো সবই বন্ধ থাকবে, বইমেলাও বন্ধ থাকবে, তাই তো হওয়ার কথা। কালকের দিনটা দেখি। তিনি বলেন, এখনও কোনো প্রজ্ঞাপন আসেনি। কোভিডের কারণে তো সমাবেশ নিষিদ্ধ আছে। লকডাউন দিলে তো বইমেলা চালানোর সুযোগই নেই। শুধু কলকারখানা খোলা থাকবে হয়তো, বাকি সবকিছু বন্ধ। যেগুলো খোলা থাকবে, সেগুলোও স্বল্প পরিসরে। তবে লকডাউন দিলেও সীমিত পরিসরে বইমেলা চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকাশকরা। তারা বলছেন, করোনার কারণে এবারের বইমেলাতে এমনিতেই বেচকেনা নেই। এরপর যদি লকডাউন দেওয়া হয় এবং বইমেলা বন্ধ হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা পৌঁছাবে চরমে। তাই সীমিত পরিসরে হলেও বইমেলা উন্মুক্ত রাখার দাবি তাদের।