০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

সংক্রমণ ঠেকাতে দিল্লিতে কারফিউ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কড়া রাস্তায় হাঁটলো ভারতের দিল্লি। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার থেকেই রাজধানীতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হচ্ছে। দিল্লি সরকারকে উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রাত ১০ টা থেকে ভোর পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত সেই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দিল্লিতে লাগাতার বাড়ছে সংক্রমণের হার। দোলের পরদিন (২৯ মার্চ) রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২.৭ শতাংশ। আটদিনের মাথায় সেটাই দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। অথচ দোলের পরদিন করোনার যে সংক্রমণের হার ছিল, তা এক সপ্তাহ আগেও অর্ধেক ছিল। অর্থাৎ গত দু’সপ্তাহে দিল্লিতে করোনার সংক্রমণ রীতিমতো খাড়াভাবে বেড়েছে। সে কারণেই কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে দিল্লিতে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭৯, ৯৬২। আর মৃতের সংখ্যা ১১, ০৯৬। সোমবার নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৮ জন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৬৪, ০০৩ টি। তার ফলে একলাফে সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫৪ শতাংশ। যা রবিবারও ছিল ৪.৬৪ শতাংশ। কেবল তাই নয়, গত বছর ২ ডিসেম্বরের পর থেকে সোমবারই প্রথমবার সংক্রমণের হার পাঁচের গণ্ডি পার করে যায়। অর্থাৎ ৮২ দিন সেই মানদণ্ডের নীচে ছিল করোনার সংক্রমণের হার। অথচ একটা সময় রাজধানীতে সংক্রমণের হার এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল। গত সপ্তাহে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন, রাজধানীতে করোনার চতুর্থ ওয়েভ (স্রোত) আছড়ে পড়েছে। কিন্তু লকডাউন হবে না। তিনি বলেছিলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা লকডাউনের বিষযে ভাবনাচিন্তা করছি না। আমি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। সার্বিকভাবে মানুষের সঙ্গে আলোচনার পর সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

সংক্রমণ ঠেকাতে দিল্লিতে কারফিউ

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কড়া রাস্তায় হাঁটলো ভারতের দিল্লি। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার থেকেই রাজধানীতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হচ্ছে। দিল্লি সরকারকে উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রাত ১০ টা থেকে ভোর পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত সেই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দিল্লিতে লাগাতার বাড়ছে সংক্রমণের হার। দোলের পরদিন (২৯ মার্চ) রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২.৭ শতাংশ। আটদিনের মাথায় সেটাই দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। অথচ দোলের পরদিন করোনার যে সংক্রমণের হার ছিল, তা এক সপ্তাহ আগেও অর্ধেক ছিল। অর্থাৎ গত দু’সপ্তাহে দিল্লিতে করোনার সংক্রমণ রীতিমতো খাড়াভাবে বেড়েছে। সে কারণেই কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে দিল্লিতে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭৯, ৯৬২। আর মৃতের সংখ্যা ১১, ০৯৬। সোমবার নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৮ জন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৬৪, ০০৩ টি। তার ফলে একলাফে সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫৪ শতাংশ। যা রবিবারও ছিল ৪.৬৪ শতাংশ। কেবল তাই নয়, গত বছর ২ ডিসেম্বরের পর থেকে সোমবারই প্রথমবার সংক্রমণের হার পাঁচের গণ্ডি পার করে যায়। অর্থাৎ ৮২ দিন সেই মানদণ্ডের নীচে ছিল করোনার সংক্রমণের হার। অথচ একটা সময় রাজধানীতে সংক্রমণের হার এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল। গত সপ্তাহে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন, রাজধানীতে করোনার চতুর্থ ওয়েভ (স্রোত) আছড়ে পড়েছে। কিন্তু লকডাউন হবে না। তিনি বলেছিলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা লকডাউনের বিষযে ভাবনাচিন্তা করছি না। আমি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। সার্বিকভাবে মানুষের সঙ্গে আলোচনার পর সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’