০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রেরণার নাম আইসিসি ট্রফি জয়

অনেকের কাছে ১৩ সংখ্যাটি আনলাকি থার্টিন হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কাছে ১৩ সংখ্যাটি বোধ করি আনলাকি নয়। কেননা, ১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ জিতে নেয় প্রথম কোন শিরোপা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য ১৩ এপ্রিল তাই বিশেষ একটি দিন। আনলাকি নয়, বরং লাকি! বলা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের বাক বদলের দিনও এটি। সেই শিরোপা জয়ের দুই যুগ পূর্তি হলো ১৩ এপ্রিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য আইসিসি ট্রফিতে খেলা সাধারণ কোন ঘটনা ছিল না। যা ছিল ৯৯ বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্টও। বিশ্বকাপে খেলা ছিল বাংলাদেশের কাছে স্বপ্নের মতো। কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্টের নিয়ম ছিল সেরা তিন দল খেলবে বিশ্বকাপ। সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে জায়গা করে নেয় আকরাম খানের দল। সেই দিনটি ছিল ৯ এপ্রিল। যা বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে সোনায় খচিত তারিখ!
স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ৯৯’ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেই থেমে থাকেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে সেই সময়ের শক্তিশালী দল কেনিয়াকে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেয় লাল-সুবজের প্রতিনিধিরা। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের কিলাত কিলাব মাঠে ১২ এপ্রিল শুরু হয়েছিল সেই ম্যাচ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৪১ করেছিল কেনিয়া। তবে বৃষ্টির কারণে সেদিন বাংলাদেশ আর ব্যাট করতে পারেনি। পরদিনও বৃষ্টির হানা ছিল। বৃষ্টি আইনে ২৫ ওভারে ১৬৬ রানের টার্গেট দাঁড়ায় বাংলাদেশের সামনে। শেষ বলে হাসিবুল হোসেন শান্ত এক রান নিলে আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। সময়ের হিসেবে ২ যুগ পার করলো সেই ট্রফি জয়ের। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থার পেছনে আইসিসি ট্রফি জয় বড় একটি প্রেরণার নাম। যার প্রেক্ষিতে ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পায় টাইগাররা। তবে এটাও সত্যি ২৪ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে। আগ্রগতি আসলে কতটা? সেই প্রশ্ন অবশ্য থেকেই যাচ্ছে। ১৯৯৭ থেকে ২০২১। দীর্ঘ এই দুই যুগে ক্রিকেটের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন বা আক্ষেপ আছে এটা সত্যি। তবে প্রাপ্তির খাতাও কম নয়। ২৪ বছরে আকরাম-নান্নু-রফিকদের বিদায়ের পর এসেছে তামিম-সাকিব-মুশফিকরা। যারা দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আগামীতে নতুন তারকার হাত ধরে ক্রিকেট পাবে তার কাঙ্খিত সাফল্য। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি খেলে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশা একদিন বিশ্বকাপ জিতবে বাংলাদেশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রেরণার নাম আইসিসি ট্রফি জয়

প্রকাশিত : ০৪:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১

অনেকের কাছে ১৩ সংখ্যাটি আনলাকি থার্টিন হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কাছে ১৩ সংখ্যাটি বোধ করি আনলাকি নয়। কেননা, ১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ জিতে নেয় প্রথম কোন শিরোপা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য ১৩ এপ্রিল তাই বিশেষ একটি দিন। আনলাকি নয়, বরং লাকি! বলা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের বাক বদলের দিনও এটি। সেই শিরোপা জয়ের দুই যুগ পূর্তি হলো ১৩ এপ্রিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য আইসিসি ট্রফিতে খেলা সাধারণ কোন ঘটনা ছিল না। যা ছিল ৯৯ বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্টও। বিশ্বকাপে খেলা ছিল বাংলাদেশের কাছে স্বপ্নের মতো। কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্টের নিয়ম ছিল সেরা তিন দল খেলবে বিশ্বকাপ। সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে জায়গা করে নেয় আকরাম খানের দল। সেই দিনটি ছিল ৯ এপ্রিল। যা বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে সোনায় খচিত তারিখ!
স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ৯৯’ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেই থেমে থাকেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে সেই সময়ের শক্তিশালী দল কেনিয়াকে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেয় লাল-সুবজের প্রতিনিধিরা। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের কিলাত কিলাব মাঠে ১২ এপ্রিল শুরু হয়েছিল সেই ম্যাচ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৪১ করেছিল কেনিয়া। তবে বৃষ্টির কারণে সেদিন বাংলাদেশ আর ব্যাট করতে পারেনি। পরদিনও বৃষ্টির হানা ছিল। বৃষ্টি আইনে ২৫ ওভারে ১৬৬ রানের টার্গেট দাঁড়ায় বাংলাদেশের সামনে। শেষ বলে হাসিবুল হোসেন শান্ত এক রান নিলে আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। সময়ের হিসেবে ২ যুগ পার করলো সেই ট্রফি জয়ের। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থার পেছনে আইসিসি ট্রফি জয় বড় একটি প্রেরণার নাম। যার প্রেক্ষিতে ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পায় টাইগাররা। তবে এটাও সত্যি ২৪ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে। আগ্রগতি আসলে কতটা? সেই প্রশ্ন অবশ্য থেকেই যাচ্ছে। ১৯৯৭ থেকে ২০২১। দীর্ঘ এই দুই যুগে ক্রিকেটের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন বা আক্ষেপ আছে এটা সত্যি। তবে প্রাপ্তির খাতাও কম নয়। ২৪ বছরে আকরাম-নান্নু-রফিকদের বিদায়ের পর এসেছে তামিম-সাকিব-মুশফিকরা। যারা দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আগামীতে নতুন তারকার হাত ধরে ক্রিকেট পাবে তার কাঙ্খিত সাফল্য। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি খেলে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশা একদিন বিশ্বকাপ জিতবে বাংলাদেশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ