প্রথম দিন শনিবার তামিম ইকবালের লাল দলের ব্যাটিং দেখে যারপরনাই সন্তুষ্ট প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তার খুশি হওয়ার উপলক্ষ্যও ছিল। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমত রানোৎসবে মেতে উঠেছিল তামিমের লাল দল। অধিনায়ক তামিম (৬৩), সাইফ হাসান (৫২), নাজমুল হোসেন শান্ত (৫৩), মুশফিকুর রহীম (৬৬) আর কিপার নুরুল হাসান সোহান (৪৮), মিরাজ (২৪*)- সবাই রান করেছেন। প্রথম চারজন পঞ্চাশ পেরিয়েও গিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠিত উইলোবাজরা সবাই রান করায় প্রথম দিন শেষে তামিমের দলের রান গিয়ে দাড়িয়েছিল ৩১৪।
পাল্টা ব্যাটিংয়ে নেমে লিটন দাস, সাদমান ইসলাম, অধিনায়ক মুমিনুল, মোহাম্মদ মিঠুন, ইয়াসির আলী রাব্বিদের নিয়ে গড়া সবুজ দল অবশ্য লাল দলের মত রানের নহর বইয়ে দিতে পারেনি। তামিম বাহিনীর করা ৩১৪ রান টপকানো বহুদুরে, মুমিনুল হকের সবুজ দল ইনিংস শেষ করেছে ৮৯ রান পিছনে থেকে।
নিগোম্বোর কাটুনায়াকের চিলাও মারিয়ান্স ক্রিকেট ক্লাব মাঠে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের আজ শেষ দিনে পাল্টা ব্যাটিংয়ে নেমে মুমিনুল হকের সবুজ দল করেছে ২২৫ রান। দলের টপ স্কোরার লিটন দাস। তার সংগ্রহ ৬৪।
অধিনায়ক মুমিনুল হক প্রথমবার শূন্য রানে ফিরলেও পরে আবার ব্যাটিংয়ে নেমে করেছেন ৪৭। এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুনের সংগ্রহ ছিল ২৮। আর পেসার শরিফুল অপরাজিত রয়ে গেছেন ২০ রানে। লাল দলে বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অফস্পিনার মিরাজ। তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ৪ উইকেট (৪১ রানে)। এছাড়া পেসার আবু জায়েদ রাহী আর বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল একটি করে উইকেট দখল করেছেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
লাল দল : ৩১৪/১ (তামিম ৬৩, সাইফ ৫২, শান্ত ৫৩, মুশফিক ৬৬, সোহান ৪৮, মিরাজ ২৪*, তাইজুল ২)।
সবুজ দল : ২২৫ অলআউট, ৭১ ওভারে (লিটন দাস ৬৪ , মুমিনুল ৪৭ , মিঠুন ২৮, শরিফুল ২০ নট আউট, মিরাজ ৩/৪১, রাহী ১/২৮, তাইজুল ১/৩০)।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























