০৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জে ১০ শিক্ষককে আজীবন বহিষ্কার

পরীক্ষার বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি বেঞ্চের পরীক্ষার্থীকে আলাদা আলাদা সেটে পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু এই কেন্দ্রে একই বেঞ্চে একই সেটে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছিল।এমন অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় লার অভিযোগে ১০ শিক্ষককে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোটালীপাড়া উপজেলার বলুহার ইসলামিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন, প্রশান্ত বাড়ৈই, মনিরা খানম, মনির হাওলাদার, কবিতা কির্ত্তনীয়া, অশক জয়ধর, শামীম আহম্মেদ, মহসিন তালুকদার, লায়েকুজ্জামান, নিয়াজ মাকদুম, জয় প্রকাশ বালা। বহিষ্কৃত শিক্ষকরা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

বলুহার মাদ্রাসা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব সুরেশ দাস জানান, কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিলাল হোসেনের নজরে আসলে তিনি শিক্ষকদের কাছে বিষয়টি জানতে চান। অভিযুক্ত শিক্ষকরা এর কোনও স্বদুত্তর দিতে না পারায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিলাল হোসেন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বহিষ্কৃত শিক্ষকরা বেঞ্চে একই সেটে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। আর এ কারণে কেন্দ্র সচিব অভিযুক্ত ১০ শিক্ষককে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রমজানে ১১ পণ্যের এলসি খোলা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

গোপালগঞ্জে ১০ শিক্ষককে আজীবন বহিষ্কার

প্রকাশিত : ০৩:২২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

পরীক্ষার বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি বেঞ্চের পরীক্ষার্থীকে আলাদা আলাদা সেটে পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু এই কেন্দ্রে একই বেঞ্চে একই সেটে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছিল।এমন অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় লার অভিযোগে ১০ শিক্ষককে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোটালীপাড়া উপজেলার বলুহার ইসলামিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন, প্রশান্ত বাড়ৈই, মনিরা খানম, মনির হাওলাদার, কবিতা কির্ত্তনীয়া, অশক জয়ধর, শামীম আহম্মেদ, মহসিন তালুকদার, লায়েকুজ্জামান, নিয়াজ মাকদুম, জয় প্রকাশ বালা। বহিষ্কৃত শিক্ষকরা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

বলুহার মাদ্রাসা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব সুরেশ দাস জানান, কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিলাল হোসেনের নজরে আসলে তিনি শিক্ষকদের কাছে বিষয়টি জানতে চান। অভিযুক্ত শিক্ষকরা এর কোনও স্বদুত্তর দিতে না পারায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিলাল হোসেন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বহিষ্কৃত শিক্ষকরা বেঞ্চে একই সেটে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। আর এ কারণে কেন্দ্র সচিব অভিযুক্ত ১০ শিক্ষককে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছেন।