০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

সাতদিনে ২৬২ মামলায় জরিমানা ১লাখ ৭০ হাজার

মামলা হচ্ছে,পুলিশি প্রহরা চলছে, মোবাইল কোর্ট ঘুরছে তবুও মানুষ কারণে অকারণে বাইরে বের হচ্ছেই।১৪ এপ্রিল থেকে ৭দিনের কঠোর লক ডাউনের সময় সীমা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।পরবর্তিতে আরো ৭ দিনের জন্য লক ডাউন বৃদ্ধি করেছে সরকার। শুরু থেকেই শেরপুরেচলছে ঢিলেঢালা লকডাউন। মাক্স বিহীন যত্রতত্র ঘুরছে মানুষ। চলছে বিভিন্ন প্রকারের যানবাহন। মুল শহরের দোকান পাঠ কিছু বন্ধ থাকলেও উপশহর ও গ্রাম গুলোতে চলছে বেচাকেনার ধুম।এখন বড় দোকান গুলোও আড়ালে আবডালে দোকানের অর্ধেক সার্টার খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।আর কাঁচা বাজার গুলোতে এখন উপচে পড়া ভীড়। প্রধান সড়কসহ অলিগলি রিক্সা ও ব্যাটারীচালিত অটো রিক্সার দখলে।দুপুরের আগে ও বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের সর্বত্রই ভীড়ের কারণে হাঁটাই দায় হয়ে পড়ে।যে যার মতকরে নিয়ম ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। এদিকে জনগনকে লক ডাউন মানাতে প্রশাসন হিসিম খাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে মোবাইল কোর্ট ও বিভিন্ন মামলা। গত ৭ দিনে ২৬২ মামলায় জরিমানা আদায় হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৫০ টাকা।
শেরপুর জেলা শহরের বিভিন্ন মহল্লা ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি লংঘন যেনো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মোবাইল কোর্ট ও পুলিশের গাড়ী দেখলেই দোকানপাঠ বন্ধ ও ভীড় কিছুটা কমে যায়।চলে গেলে সেই সাবেক অবস্থায় ফিওে আসে। অনেকটা চোর-পুলিশ খেলার মত বলছেন অনেকেই।মানুষকে লক ডাউনের মধ্যে রাখতে সিভিল প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা শুরু থেকেই নেই। গত বছরের মতোও তৎপরতার দেখা যাচ্ছে না এবার।লক ডাউন মানাতে ও মানুষের পাশে দাড়াতেরাজনৈতিক দল,সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তি পর্যায়ের তৎপতা নেই বললেই চলে।
জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের সমন্বয় কারি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিধি ও সরকারি নির্দেশনানা মানার কারনে ভ্রাম্যমান আদালত জেলায় (১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল) সাতদিনে ২৬২ টি মামলায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার৯৫০টাকা আদায় করেছে।
সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন জানিয়েছেন, প্রশাসনের তৎপরতার কোন ঘাটতি নেই।মানুষ সচেতন হচ্ছে না। যেনোতেনো কারণে জরিমানা করলে মানুষের মধ্যে বাজে প্রভাব পড়বে।
লক ডাউন মানুষ তেমন মানছে না স্বীকার কওে জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ আনওয়ারুর রউফ বলেছেন করোনা থেকে দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে সকল মানুষকে দায়িত্বশীল হতে হবে মানতে হবে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব, পড়তে হবে মাস্ক। এসব স্বাস্থ্য বিধি না মানলে সামনের দিনগুলোর অবস্থা ভয়াবহ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক পর্যন্ত ফ্রি করবো : প্রধানমন্ত্রী

সাতদিনে ২৬২ মামলায় জরিমানা ১লাখ ৭০ হাজার

প্রকাশিত : ০৬:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

মামলা হচ্ছে,পুলিশি প্রহরা চলছে, মোবাইল কোর্ট ঘুরছে তবুও মানুষ কারণে অকারণে বাইরে বের হচ্ছেই।১৪ এপ্রিল থেকে ৭দিনের কঠোর লক ডাউনের সময় সীমা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।পরবর্তিতে আরো ৭ দিনের জন্য লক ডাউন বৃদ্ধি করেছে সরকার। শুরু থেকেই শেরপুরেচলছে ঢিলেঢালা লকডাউন। মাক্স বিহীন যত্রতত্র ঘুরছে মানুষ। চলছে বিভিন্ন প্রকারের যানবাহন। মুল শহরের দোকান পাঠ কিছু বন্ধ থাকলেও উপশহর ও গ্রাম গুলোতে চলছে বেচাকেনার ধুম।এখন বড় দোকান গুলোও আড়ালে আবডালে দোকানের অর্ধেক সার্টার খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।আর কাঁচা বাজার গুলোতে এখন উপচে পড়া ভীড়। প্রধান সড়কসহ অলিগলি রিক্সা ও ব্যাটারীচালিত অটো রিক্সার দখলে।দুপুরের আগে ও বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের সর্বত্রই ভীড়ের কারণে হাঁটাই দায় হয়ে পড়ে।যে যার মতকরে নিয়ম ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। এদিকে জনগনকে লক ডাউন মানাতে প্রশাসন হিসিম খাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে মোবাইল কোর্ট ও বিভিন্ন মামলা। গত ৭ দিনে ২৬২ মামলায় জরিমানা আদায় হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৫০ টাকা।
শেরপুর জেলা শহরের বিভিন্ন মহল্লা ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি লংঘন যেনো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মোবাইল কোর্ট ও পুলিশের গাড়ী দেখলেই দোকানপাঠ বন্ধ ও ভীড় কিছুটা কমে যায়।চলে গেলে সেই সাবেক অবস্থায় ফিওে আসে। অনেকটা চোর-পুলিশ খেলার মত বলছেন অনেকেই।মানুষকে লক ডাউনের মধ্যে রাখতে সিভিল প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা শুরু থেকেই নেই। গত বছরের মতোও তৎপরতার দেখা যাচ্ছে না এবার।লক ডাউন মানাতে ও মানুষের পাশে দাড়াতেরাজনৈতিক দল,সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তি পর্যায়ের তৎপতা নেই বললেই চলে।
জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের সমন্বয় কারি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিধি ও সরকারি নির্দেশনানা মানার কারনে ভ্রাম্যমান আদালত জেলায় (১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল) সাতদিনে ২৬২ টি মামলায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার৯৫০টাকা আদায় করেছে।
সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন জানিয়েছেন, প্রশাসনের তৎপরতার কোন ঘাটতি নেই।মানুষ সচেতন হচ্ছে না। যেনোতেনো কারণে জরিমানা করলে মানুষের মধ্যে বাজে প্রভাব পড়বে।
লক ডাউন মানুষ তেমন মানছে না স্বীকার কওে জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ আনওয়ারুর রউফ বলেছেন করোনা থেকে দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে সকল মানুষকে দায়িত্বশীল হতে হবে মানতে হবে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব, পড়তে হবে মাস্ক। এসব স্বাস্থ্য বিধি না মানলে সামনের দিনগুলোর অবস্থা ভয়াবহ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ