মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অনেক খামারী আজ লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক যে গাংনী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউসিলর মিজানুর রহমান (মদন) জানান আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ তার পরেও গাড়ল ভেড়া ব্যবসায়ী করে নিজের চিকিৎসা খরচ সহ সংসারের ব্যয় নির্বাহ করে চলিতেছি । মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন খামারী কাছে থেকে ভেড়া ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলার খামারীদের বিক্রয় করে থাকি তবে বর্তমান করোনা মহামারী কারনে ব্যবসা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জেলার বাহিরে থেকে ভেড়া ক্রয়ের জন্য খামারীরা আসিতে পারছে না। বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের ভেড়া খামারী টাচু মিয়া জানান আমি ১বছর কয়েক মাস ভেঁডা পালন করছি তাতে আমি যে টাকা দিয়ে ভেড়া ক্রয় করেছিলাম বর্তমান তার কয়েক গুন লাভবান হয়েছি সে আরো জানান ভেড়া পালনে তেমন কোন খরচ নেই কারন বাড়ীতে আমি কোন ধরনের খাবার দিই না মাঠে চরিয়ে পালন করে থাকি। আবুল কালাম জানান আমি ভেড়া পালন করে আমার বড় মেয়ে নাসিং পড়িয়ে চাকুরী ব্যবস্থা করিবার চেষ্টা করিতেছি ছেলে কে বিদেশে পাঠানো জন্য যোগাযোগ করিতেছি। আর ২ বেলা দুই মুঠো ভাত খেয়ে বেঁচে আছি বর্তমান খামারের যা ভেড়া আছে কয়েক লক্ষ টাকার হবে। মিন্টু মিয়া জানান আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিলাম বর্তমান আছি তবে ২বছর আগে কয়েকটি ভেড়া ক্রয় করে পালন শুরু করি বর্তমান অনেক ভেড়া মালিক আল্লাহ পাকের রহমতে অনেক ভালো আছি সংসার জীবনে কোন অসুবিদা নেই। খোদা বকস এর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম জানান আমার মুদি দোকান ছিলো সে ব্যবসায় আমি অনেক টাকা ক্ষতি শিকার হয় পরে কয়েকটি ভেড়া ক্রয় করে একটি খামার করি বর্তমান ভেড়া পালন করে অনেক ভালো আছি ভেড়া খামার করলে নিজে কাজ করিতে পারলে তেমন কোন সম্যসা হয় না ভালো করা যায়। আহাম্মদ আলী জানান আমার তেমন কোন আয়ের উৎস নেই। তাই ভেড়া পালন করে সাংসারের সকল ধরনের খরচ মিটানো লাগে সব চেয়ে বড় বিষয় হলো ভেড়া পেঠে বাচ্চা আসার সাথে সাথে বিক্রয় হয়ে যায় বর্তমান বাজারের অনেক চাহিদা আছে যে কারনে ভেড়া পালন করে লাভবান হওয়া খরচের বিষয় হলো নিজে যদি চরানো যায় তাহলে খরচ নেই বলেও চলে তার পরেও অনেক ভালে চাষ বলে আমি মনে করি।গাংনী উপজেলা প্রাণীসস্পদ বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন গাংনী উপজেলায় অনেক ভেড়া খামারী আছে এবং ভেড়া পালন করে শত শত পরিবার আজ অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে এটা একটি লাভজন পেশা যদি কেও ভালো ভাবে কারতে পারে তাহলে একটি খামার থেকে অনেক কিছু করা যায়।
গাংনী পৌরসভার মেয়র আহাম্মদ আলী বলেন পৌরসভা মধ্য ভেড়া পালন করে অনেক গুলি পরিবার আজ অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে তারা ভেড়া মাংস খুব সুস্বাদু রোগিদের জন্য ক্ষতি পরিমান কম।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















