০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মারামারি, আহত ৪

মাদারিপুরে ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মারামারিতে আহত ৪। লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। রবিবার ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণত ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনায় চলমান লকডাউনে চলাচল করছে মাত্র ৫টি ফেরি। সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এছাড়া যাত্রীদেরও চাপ বাড়তে থাকে ফেরিঘাটে। স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকার কথা থাকলেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে চলাচল করছে।

আর যারা স্পিডবোট কিংবা ট্রলারে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন না, তারা ফেরিতে উঠতে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। ফেরিতে আগে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। দুপুরের দিকে কয়েকজন যাত্রী ফেরিতে ওঠা নিয়ে মারামারি শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় আহত হন চারজন যাত্রী। অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারণে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি।

মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, সীমিত পরিসরে ফেরি দিয়ে জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক ও কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, ইজিবাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলযোগে বাড়তি ভাড়া দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল থেকে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মারামারি, আহত ৪

প্রকাশিত : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

মাদারিপুরে ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মারামারিতে আহত ৪। লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। রবিবার ফেরিতে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণত ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনায় চলমান লকডাউনে চলাচল করছে মাত্র ৫টি ফেরি। সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এছাড়া যাত্রীদেরও চাপ বাড়তে থাকে ফেরিঘাটে। স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকার কথা থাকলেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে চলাচল করছে।

আর যারা স্পিডবোট কিংবা ট্রলারে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন না, তারা ফেরিতে উঠতে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। ফেরিতে আগে ওঠা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। দুপুরের দিকে কয়েকজন যাত্রী ফেরিতে ওঠা নিয়ে মারামারি শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় আহত হন চারজন যাত্রী। অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারণে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি।

মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, সীমিত পরিসরে ফেরি দিয়ে জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক ও কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, ইজিবাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলযোগে বাড়তি ভাড়া দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল থেকে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর