০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ভূঞাপুরে ৫ঘন্টায় ২৯জন ডায়রিয়া ও নিওমোনিয়ার রোগী হাসপাতালে ভর্তি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হঠাৎ করেই গেল ৫ ঘন্টায় ২৯ জন রোগী ডায়রিয়া, নিওমোনিয়া ও পেট ব্যাথা জনিত কারণে ভর্তি হয়েছেন। এতে হাসপাতালে রোগী ভর্তিতে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৭ হতে দুপুর ১২ পর্যন্ত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হাসপাতালে এই সময়ের মধ্যে রোগীরা ভর্তি হয়।
নিওমোনিয়া রোগে আক্রান্ত শিশু মানহার মা মাহফুজা বলেন, গতকাল রাত থেকে শিশুটির ঠান্ডা ও জ্বরে ভুগছিল। এবস্থায় শিশুটিকে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক দেখানোর পর তার নিওমোনিয়া ধরা পড়ে।
উপজেলা কুঠিবয়ড়া থেকে হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসা মোশারফ হোসেন (৫০) বলেন, রাত থেকেই পেটের ব্যথা অনুভব করি। এসময় পাতলা পায়খানাও হয়েছে কয়েকবার। পরে সকালে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, প্রচন্ড গরম ও ঋতু পরিবর্তণের পাশাপাশি রোজায় এর প্রভাব পড়েছে। এতে অনেকেই অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সাদিয়া ইমরোজ বলেন, এই সময় ঋতু পরিবর্তন, ব্যাপক তাপদাহ, রোজার কারণে খাদ্যাবাসে পরিবর্তন, করোনার উপসর্গ হিসেবেও ডায়রিয়া হতে পারে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরকম আগে এত কম সময়ে এতো রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মহীউদ্দিন বলেন, হঠাৎ করেই গেল ৫ঘন্টায় নারী, পুরুষ ও শিশু মিলিয়ে ২৯জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

ভূঞাপুরে ৫ঘন্টায় ২৯জন ডায়রিয়া ও নিওমোনিয়ার রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত : ০৪:৩২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হঠাৎ করেই গেল ৫ ঘন্টায় ২৯ জন রোগী ডায়রিয়া, নিওমোনিয়া ও পেট ব্যাথা জনিত কারণে ভর্তি হয়েছেন। এতে হাসপাতালে রোগী ভর্তিতে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৭ হতে দুপুর ১২ পর্যন্ত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হাসপাতালে এই সময়ের মধ্যে রোগীরা ভর্তি হয়।
নিওমোনিয়া রোগে আক্রান্ত শিশু মানহার মা মাহফুজা বলেন, গতকাল রাত থেকে শিশুটির ঠান্ডা ও জ্বরে ভুগছিল। এবস্থায় শিশুটিকে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক দেখানোর পর তার নিওমোনিয়া ধরা পড়ে।
উপজেলা কুঠিবয়ড়া থেকে হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসা মোশারফ হোসেন (৫০) বলেন, রাত থেকেই পেটের ব্যথা অনুভব করি। এসময় পাতলা পায়খানাও হয়েছে কয়েকবার। পরে সকালে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, প্রচন্ড গরম ও ঋতু পরিবর্তণের পাশাপাশি রোজায় এর প্রভাব পড়েছে। এতে অনেকেই অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সাদিয়া ইমরোজ বলেন, এই সময় ঋতু পরিবর্তন, ব্যাপক তাপদাহ, রোজার কারণে খাদ্যাবাসে পরিবর্তন, করোনার উপসর্গ হিসেবেও ডায়রিয়া হতে পারে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরকম আগে এত কম সময়ে এতো রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মহীউদ্দিন বলেন, হঠাৎ করেই গেল ৫ঘন্টায় নারী, পুরুষ ও শিশু মিলিয়ে ২৯জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ