০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এই কথা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির মহাসচিব জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হওয়ায় তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

গেল ৩ মে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। ১১ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শুরুতে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তারপর ২৮ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ৬ মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির সময় আরও ৬ মাস বাড়ায় সরকার। এ বছরের মার্চে তৃতীয় বারের মতো ৬ মাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজাহাট-চুকনগর ৩৮ কিলোমিটার সড়কে স্বস্তি, সংস্কারে ফিরেছে নির্বিঘ্ন চলাচল

খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর

প্রকাশিত : ০৮:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এই কথা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির মহাসচিব জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হওয়ায় তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

গেল ৩ মে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। ১১ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শুরুতে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তারপর ২৮ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ৬ মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির সময় আরও ৬ মাস বাড়ায় সরকার। এ বছরের মার্চে তৃতীয় বারের মতো ৬ মাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর