অভ্যাসের পাশাপাশি বদ অভ্যাসও মানুষের জীবনেরই অংশ। বেশির ভাগ লোকেরই কিছু না কিছু বদ অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু নিজের এমন অভ্যাসকে চিহ্নিত করতে পারে কিংবা চিহ্নিত করে অন্যের কাছে অকপটে স্বীকার করতে পারে, এমন মনোবল অনেক তারকারই থাকে না।
আবার অনেকেরই থাকে অপকটে স্বীকার করার সাহস বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনে যুক্ত কলাকুশলীদের মধ্যে কার কী বদ অভ্যাস রয়েছে, তা তুলে ধরা হয় এই বিভাগে। নায়িকা পূর্ণিমা তার বদ অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার।
এ সম্পর্কে পূর্ণিমা বলেন, ‘জানি না এটাকে বদ অভ্যাস বলে কী না? আমি হাত ধুই প্রচুর। বাসায় থাকলে বা বাইরে থাকলেও। আর যদি হাতের কাছে পানি না থাকে তাহলে হাত মুছি টিস্যু দিয়ে। যাই হোক টিস্যু আমার হাতে থাকেই। এটাকে আমার বদ অভ্যাস বলতে পারেন। আমার দুই হাতের একটা মুঠোয় সব সময় টিস্যু থাকবেই। ব্যাগে তো অলওয়েজ থাকেই। ডেটল স্যানিটাইজার থাকে। ’
কিন্তু একটা সময় এখনকার মতো এমন অভ্যাস কিংবা এ বিষয়ে এত বেশি খুঁতখুঁতে ছিলেন না পূর্ণিমা। যখন প্রথম কন্যা সন্তানের মা হলেন, তারপর থেকেই এমনটা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তার কথায়, ‘বেবি হওয়ার পর থেকেই বেশি হচ্ছে বিষয়টা। আগে দেখা যেত সারাদিন কাজ করছি, খাওয়ার আগে হাতে ধুয়ে খাবার খেতাম আর খাবার খাওয়ার পর হাত ধুয়ে ফেলতাম, ব্যাস। কিন্তু এখন ঠিক তার বিপরীত।’
বর্তমানে পূর্ণিমা ব্যস্ত রয়েছেন টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা নিয়ে। আরটিভিতে প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক তারকা টক শো ‘এবং পূর্ণিমা’। এ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছেন তিনি। টেলিভিশন পর্দায় এটি তার প্রথম উপস্থাপনা। তবে ভালো কাজ পাচ্ছেন না বলে এক সময়ের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এ নায়িকা চলচ্চিত্রে ফিরছেন না। যখনই ভালো কাজের প্রস্তাব পাবেন ফের নতুন পূর্ণিমা হয়েই সিনেমায় ফিরবেন বলে জানান তিনি।
পূর্ণিমার চলচ্চিত্র জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবির মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ২০১০ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
পূর্ণিমা ১৯৮৪ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি এ জেলার ফটিকছড়িতে। বড় হয়েছেন ঢাকায়। তার পারিবারিক নাম দিলারা হানিফ ও ডাক নাম রিতা। ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদকে বিয়ে করেন। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তিনি কন্যা সন্তানের মা হন। তার মেয়ের নাম আরশিয়া উমাইজা।


























