০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

৩০ দিনের মধ্যে বন্দর থেকে পণ্য না নিলে নিলাম

 

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, ‘যেকোনো পণ্য চালান যত দ্রুত খালাস নেয়া যায়, ততই সকলের জন্য মঙ্গল। কারণ কোনো ব্যবসায়ী পণ্য বিদেশ থেকে কেনেন নিজের প্রয়োজনে। কিন্তু সেটি দিনের পর দিন বন্দরের ইয়ার্ডে রেখে দেয়া উচিত নয়। তাই দ্রুত খালাস নেয়ার জন্য আমরা তাগাদা দিয়েছি।’ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগে ৪৫ দিনের মধ্যে আমদানি করা পণ্য খালাস নেয়ার বিধান থাকলেও এখন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে তা খালাস নিতে হবে বলে আদেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। অন্যথায় এ চালান নিলামযোগ্য বলে গণ্য করা হবে। আদেশসংক্রান্ত একটি চিঠি রোববার সকল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারী সংস্থার কাছে পাঠান চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম। সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিমানবন্দর দিয়ে কোনো পণ্য চালান আনা হলে তা ২১ দিনের মধ্যে খালাস করতে হবে। চিঠিতে আরও বলা হয়, কাস্টমস আইন অনুযায়ী কাস্টমস হাউস অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে শুল্ক-কর পরিশোধ করে পণ্য চালান খালাস নিতে হবে। অন্যথায় এ চালান নিলামযোগ্য বলে গণ্য করা হবে। এই আইন লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ও পোর্ট চার্জ যাতে না দিতে হয়, এই জন্য পণ্য চালান দ্রুত খালাস নিতে আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, ‘যেকোনো পণ্য চালান যত দ্রুত খালাস নেয়া যায়, ততই সকলের জন্য মঙ্গল। কারণ কোনো ব্যবসায়ী পণ্য বিদেশ থেকে কেনেন নিজের প্রয়োজনে। কিন্তু সেটি দিনের পর দিন বন্দরের ইয়ার্ডে রেখে দেয়া উচিত নয়। তাই দ্রুত খালাস নেয়ার জন্য আমরা তাগাদা দিয়েছি।’ এদিকে, পণ্য চালানের জন্য আগে ৪৫ দিনের মধ্যে খালাস নেয়ার নিয়ম ছিল। বিমানবন্দরে এ ক্ষেত্রে নিয়ম ছিল ৩০ দিনের। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বলেন, ‘কোনো একটা পণ্য চালানে দীর্ঘসূত্রতা হতে পারে, যেমন ফাইল যদি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে যায় তখন অনেক সময় লাগে। তখন দেরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনার জন্য কাস্টমস কমিশনারের কাছে আমরা অনুরোধ করেছি।’

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

৩০ দিনের মধ্যে বন্দর থেকে পণ্য না নিলে নিলাম

প্রকাশিত : ১২:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১

 

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, ‘যেকোনো পণ্য চালান যত দ্রুত খালাস নেয়া যায়, ততই সকলের জন্য মঙ্গল। কারণ কোনো ব্যবসায়ী পণ্য বিদেশ থেকে কেনেন নিজের প্রয়োজনে। কিন্তু সেটি দিনের পর দিন বন্দরের ইয়ার্ডে রেখে দেয়া উচিত নয়। তাই দ্রুত খালাস নেয়ার জন্য আমরা তাগাদা দিয়েছি।’ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগে ৪৫ দিনের মধ্যে আমদানি করা পণ্য খালাস নেয়ার বিধান থাকলেও এখন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে তা খালাস নিতে হবে বলে আদেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। অন্যথায় এ চালান নিলামযোগ্য বলে গণ্য করা হবে। আদেশসংক্রান্ত একটি চিঠি রোববার সকল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারী সংস্থার কাছে পাঠান চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম। সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিমানবন্দর দিয়ে কোনো পণ্য চালান আনা হলে তা ২১ দিনের মধ্যে খালাস করতে হবে। চিঠিতে আরও বলা হয়, কাস্টমস আইন অনুযায়ী কাস্টমস হাউস অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে শুল্ক-কর পরিশোধ করে পণ্য চালান খালাস নিতে হবে। অন্যথায় এ চালান নিলামযোগ্য বলে গণ্য করা হবে। এই আইন লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ও পোর্ট চার্জ যাতে না দিতে হয়, এই জন্য পণ্য চালান দ্রুত খালাস নিতে আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, ‘যেকোনো পণ্য চালান যত দ্রুত খালাস নেয়া যায়, ততই সকলের জন্য মঙ্গল। কারণ কোনো ব্যবসায়ী পণ্য বিদেশ থেকে কেনেন নিজের প্রয়োজনে। কিন্তু সেটি দিনের পর দিন বন্দরের ইয়ার্ডে রেখে দেয়া উচিত নয়। তাই দ্রুত খালাস নেয়ার জন্য আমরা তাগাদা দিয়েছি।’ এদিকে, পণ্য চালানের জন্য আগে ৪৫ দিনের মধ্যে খালাস নেয়ার নিয়ম ছিল। বিমানবন্দরে এ ক্ষেত্রে নিয়ম ছিল ৩০ দিনের। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বলেন, ‘কোনো একটা পণ্য চালানে দীর্ঘসূত্রতা হতে পারে, যেমন ফাইল যদি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে যায় তখন অনেক সময় লাগে। তখন দেরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনার জন্য কাস্টমস কমিশনারের কাছে আমরা অনুরোধ করেছি।’