০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

‘সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধ করতে হবে’

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বিশ্বে শিশু মৃত্যুর একটি অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু। উন্নত দেশগুলো এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উচ্চহারে পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতি বছর অনেক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। যা শিশুর সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় বাধা। প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বাড়ানো, সম্মিলিত উদ্যোগ ও সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হবে। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয় থেকে গণস্বাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ’ শীর্ষক জাতীয় মতবিনিময় (ওয়েবিনার) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। গৃহীত প্রস্তাবে পানিতে ডুবে মৃত্যুকে একটি ‘নীরব মহামারি’ হিসেব স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। প্রতি বছরের ২৫ জুলাই বিশ্বব্যাপী পানিতে ডুবে মৃত্যুরোধ দিবস পালিত হবে। জাতিসংঘের এ প্রস্তাব পাসের পর শিশুমৃত্যু রোধে, বাংলাদেশের দায়িত্বও অনেক বেড়ে গেছে। সাবেক উপদেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফজলে হাসান বাদশা, ড. মনজুর আহমদ, সেলিনা হোসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা। সভাপতির বক্তব্যে গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আতঙ্কজনক। তবে এ সমস্যা নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না। স্থানীয় কমিউনিটি ও বেসরকারি সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশু মৃত্যু রোধ করতে হবে।’অনুষ্ঠানের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ছিল বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক, সিআইপিআরবি এবং যুক্তরাষ্ট্রের দাতা সংস্থা গ্লোবাল হেলথ ইনকিউবেটর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম বোর্ড সভা

‘সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধ করতে হবে’

প্রকাশিত : ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বিশ্বে শিশু মৃত্যুর একটি অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু। উন্নত দেশগুলো এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উচ্চহারে পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতি বছর অনেক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। যা শিশুর সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় বাধা। প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বাড়ানো, সম্মিলিত উদ্যোগ ও সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হবে। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয় থেকে গণস্বাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ’ শীর্ষক জাতীয় মতবিনিময় (ওয়েবিনার) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। গৃহীত প্রস্তাবে পানিতে ডুবে মৃত্যুকে একটি ‘নীরব মহামারি’ হিসেব স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। প্রতি বছরের ২৫ জুলাই বিশ্বব্যাপী পানিতে ডুবে মৃত্যুরোধ দিবস পালিত হবে। জাতিসংঘের এ প্রস্তাব পাসের পর শিশুমৃত্যু রোধে, বাংলাদেশের দায়িত্বও অনেক বেড়ে গেছে। সাবেক উপদেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফজলে হাসান বাদশা, ড. মনজুর আহমদ, সেলিনা হোসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা। সভাপতির বক্তব্যে গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আতঙ্কজনক। তবে এ সমস্যা নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না। স্থানীয় কমিউনিটি ও বেসরকারি সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশু মৃত্যু রোধ করতে হবে।’অনুষ্ঠানের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ছিল বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক, সিআইপিআরবি এবং যুক্তরাষ্ট্রের দাতা সংস্থা গ্লোবাল হেলথ ইনকিউবেটর।