০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ইসরায়েলে টিকা রফতানি : এক বছরে আয় ৪৩ হাজার ডলার

সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৩ হাজার ২১৫ ডলারের টিকা রফতানি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যালেরিয়া, যক্ষা ও কুষ্ঠ রোগের টিকা। এছাড়া আছে কিডনি ডায়ালাইসিস সল্যুশন। এছাড়া অন্যান্য পণ্য রফতানি হয়েছে ৪১২ ডলারের। সব মিলিয়ে বিগত অর্থবছরে কোনরূপ সম্পর্ক না থাকা দেশটিতে ৪৩ হাজার ৭২৮ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় সাড়ে ১৫ হাজার ডলার বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। ইপিবি জানায়, ২০১৯- ২০ অর্থবছরে ইসরায়েলে পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ২৮ হাজার ৬৭ ডলার। ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের নেই কোনো ধরনের কূটনৈতিক কিংবা বাণিজ্যিক সম্পর্ক। আবার দেশটিকে স্বীকৃতিও দেয়নি বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবুও দেশটিতে গত ১০ বছরে প্রায় ৫ লাখ ডলারের পণ্য বিক্রি করেছে দেশের ব্যবসায়ীরা। যক্ষা, ম্যালেরিয়া ও কুষ্ঠরোগের ভ্যাকসিন ছাড়াও তৈরি পোশাক, কৃষিপণ্য রফতানি হচ্ছে দেশটিতে। গত মে মাসে দেশের পাসপোর্ট থেকে, ‘ইসরায়েল ছাড়া’ শব্দগুলো প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আগে যেমন ছিল এখনও তাই থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে আমরা পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ শব্দ দুটি তুলে দিয়েছি।’ আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, ‘আগের মতোই বাংলাদেশের নাগরিকদের কেউ ইসরায়েলে গেলে শাস্তি পেতে হবে।’

ট্যাগ :

ফরিদপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সওজের জায়গায় দখল মুক্ত

ইসরায়েলে টিকা রফতানি : এক বছরে আয় ৪৩ হাজার ডলার

প্রকাশিত : ১২:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৩ হাজার ২১৫ ডলারের টিকা রফতানি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যালেরিয়া, যক্ষা ও কুষ্ঠ রোগের টিকা। এছাড়া আছে কিডনি ডায়ালাইসিস সল্যুশন। এছাড়া অন্যান্য পণ্য রফতানি হয়েছে ৪১২ ডলারের। সব মিলিয়ে বিগত অর্থবছরে কোনরূপ সম্পর্ক না থাকা দেশটিতে ৪৩ হাজার ৭২৮ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় সাড়ে ১৫ হাজার ডলার বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। ইপিবি জানায়, ২০১৯- ২০ অর্থবছরে ইসরায়েলে পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ২৮ হাজার ৬৭ ডলার। ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের নেই কোনো ধরনের কূটনৈতিক কিংবা বাণিজ্যিক সম্পর্ক। আবার দেশটিকে স্বীকৃতিও দেয়নি বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবুও দেশটিতে গত ১০ বছরে প্রায় ৫ লাখ ডলারের পণ্য বিক্রি করেছে দেশের ব্যবসায়ীরা। যক্ষা, ম্যালেরিয়া ও কুষ্ঠরোগের ভ্যাকসিন ছাড়াও তৈরি পোশাক, কৃষিপণ্য রফতানি হচ্ছে দেশটিতে। গত মে মাসে দেশের পাসপোর্ট থেকে, ‘ইসরায়েল ছাড়া’ শব্দগুলো প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আগে যেমন ছিল এখনও তাই থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে আমরা পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ শব্দ দুটি তুলে দিয়েছি।’ আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, ‘আগের মতোই বাংলাদেশের নাগরিকদের কেউ ইসরায়েলে গেলে শাস্তি পেতে হবে।’