০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

সঙ্কট কেটে যাওয়ায় সৈয়দপুরের শিল্প কারখানায় প্রাণচাঞ্চল্য

চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত শিল্প-কলকারখানাগুলো পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে। করোনার শুরুতে কাঁচামাল সঙ্কটে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে শ্রমিক ছাঁটাই করেন। সঙ্কট কেটে যাওয়ায় আবারো উৎপাদনে ফিরেছে এসব প্রতিষ্ঠান।

সূত্র মতে, নীলফামারীর সৈয়দপুরের ননস্টিক তৈজস ও প্রেসার কুকার তৈরির কারখানা রয়েল্যাক্স মেটাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজ। এখানে তৈরি হয় গ্যাসের চুলা, ব্লেন্ডার, প্রেসার কুকার, ননস্টিক তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রিক সামগ্রী। যার ৭০ শতাংস কাঁচামাল আসে চীন থেকে।

রয়েল্যাক্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রির মালিক রাজকুমার পোদ্দার জানান, করোনার ওই সময় উৎপাদন না হওয়ায় ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করতে পারেনি বন্ধ প্রায় শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিকরা। তার ওপর উৎপাদিত পণ্য বাজারে দিতে না পারায় বকেয়া টাকাও আদায় করতে পারেনি মালিকপক্ষ।

কিন্তু বর্তমানে চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় সঙ্কট কেটে গেছে। সৈয়দপুর ইকু জুট মিল ও পেপার মিলের মালিক এবং নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির নির্বাহী সদস্য সিদ্দিকুল আলম জানান, চায়না থেকে কাঁচামাল আসতে শুরু করায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা পুরোদমে উৎপাদন শুরু করেছে।

ইতোমধ্যে ছাঁটাইকরা শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। তিনি বলেন, আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্য যেমন স্যানিটারী, ছাপাখানা, বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশের মূল্য কমতে শুরু করেছে। কাঁচামালের অভাবে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় এক বছর বন্ধ ছিল এসব শিল্প কারখানা।

জনপ্রিয়

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর তা বাতিল, হস্তান্তর কিংবা ভাগাভাগি সম্ভব নয়

সঙ্কট কেটে যাওয়ায় সৈয়দপুরের শিল্প কারখানায় প্রাণচাঞ্চল্য

প্রকাশিত : ১২:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত শিল্প-কলকারখানাগুলো পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে। করোনার শুরুতে কাঁচামাল সঙ্কটে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে শ্রমিক ছাঁটাই করেন। সঙ্কট কেটে যাওয়ায় আবারো উৎপাদনে ফিরেছে এসব প্রতিষ্ঠান।

সূত্র মতে, নীলফামারীর সৈয়দপুরের ননস্টিক তৈজস ও প্রেসার কুকার তৈরির কারখানা রয়েল্যাক্স মেটাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজ। এখানে তৈরি হয় গ্যাসের চুলা, ব্লেন্ডার, প্রেসার কুকার, ননস্টিক তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রিক সামগ্রী। যার ৭০ শতাংস কাঁচামাল আসে চীন থেকে।

রয়েল্যাক্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রির মালিক রাজকুমার পোদ্দার জানান, করোনার ওই সময় উৎপাদন না হওয়ায় ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করতে পারেনি বন্ধ প্রায় শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিকরা। তার ওপর উৎপাদিত পণ্য বাজারে দিতে না পারায় বকেয়া টাকাও আদায় করতে পারেনি মালিকপক্ষ।

কিন্তু বর্তমানে চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় সঙ্কট কেটে গেছে। সৈয়দপুর ইকু জুট মিল ও পেপার মিলের মালিক এবং নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির নির্বাহী সদস্য সিদ্দিকুল আলম জানান, চায়না থেকে কাঁচামাল আসতে শুরু করায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা পুরোদমে উৎপাদন শুরু করেছে।

ইতোমধ্যে ছাঁটাইকরা শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। তিনি বলেন, আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্য যেমন স্যানিটারী, ছাপাখানা, বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশের মূল্য কমতে শুরু করেছে। কাঁচামালের অভাবে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় এক বছর বন্ধ ছিল এসব শিল্প কারখানা।