০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ৭

ক্যান্সার ও করোনাভাইরাস মহামারিতে ব্যবহৃত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। ডিএমপির গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- তরিকুল ইসলাম, সৈয়দ আল মামুন, সাইদুল ইসলাম, মনোয়ার, আবদুল লতিফ, নাজমুল ঢালী ও সাগর আহমেদ মিলন।

গত বুধবার রাজধানীর কাজলা, আরামবাগ ও মিটফোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে একমি কোম্পানির ৭০০ বক্স মোনাস, স্কয়ার কোম্পানির ৫০ বক্স সেকলো, জেনিথ কোম্পানির ৭৪৮ বক্স ন্যাপ্রোক্সেন প্লাসসহ অন্যান্য কোম্পানির বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম (মেশিন, ডায়াস ও খালি বক্স) উদ্ধার করা হয়।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, এ সকল ওষুধের ইনগ্রিডিয়েন্টসে মূলত প্রয়োজনীয় কোনো সক্রিয় উপাদান থাকে না। এ ছাড়া মেইন স্টার্চ নিম্ন গ্রেডের ব্যবহৃত হয়। এমনকি স্টেরয়েড ও ডাই ব্যবহৃত হতে পারে। নন ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রেডের এসব কেমিকেল সেবনের ফলে মানুষের কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বলেও জানান এ কে এম হাফিজ আক্তার।

ট্যাগ :

চলতি বছরেই মধ্যেই পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত : ১২:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

ক্যান্সার ও করোনাভাইরাস মহামারিতে ব্যবহৃত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। ডিএমপির গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- তরিকুল ইসলাম, সৈয়দ আল মামুন, সাইদুল ইসলাম, মনোয়ার, আবদুল লতিফ, নাজমুল ঢালী ও সাগর আহমেদ মিলন।

গত বুধবার রাজধানীর কাজলা, আরামবাগ ও মিটফোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে একমি কোম্পানির ৭০০ বক্স মোনাস, স্কয়ার কোম্পানির ৫০ বক্স সেকলো, জেনিথ কোম্পানির ৭৪৮ বক্স ন্যাপ্রোক্সেন প্লাসসহ অন্যান্য কোম্পানির বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম (মেশিন, ডায়াস ও খালি বক্স) উদ্ধার করা হয়।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, এ সকল ওষুধের ইনগ্রিডিয়েন্টসে মূলত প্রয়োজনীয় কোনো সক্রিয় উপাদান থাকে না। এ ছাড়া মেইন স্টার্চ নিম্ন গ্রেডের ব্যবহৃত হয়। এমনকি স্টেরয়েড ও ডাই ব্যবহৃত হতে পারে। নন ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রেডের এসব কেমিকেল সেবনের ফলে মানুষের কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বলেও জানান এ কে এম হাফিজ আক্তার।