০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় কারাগারে অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের প্রাণহানি

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি কারাগারে বুধবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও অনেক লোক আহত হয়েছেন। এক কর্মকর্তা একথা জানান। খবর এএফপি’র। রাজধানী জাকার্তার উপকণ্ঠে অবস্থিত তাঞ্জারাং কারাগারে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় অধিকাংশ আসামি ঘুমিয়ে ছিলেন। উদ্ধারকারী দল রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হতাহতদের উদ্ধার করে। মাদক পাচারের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের থাকা একটি ব্লকে এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং এটির বেশিরভাগই পুড়ে যায়। জাকার্তা পুলিশ প্রধান ফাদিল ইমরান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেখানে আগুনে দগ্ধ হয়ে ‘৪১ জন প্রাণ হারান এবং আরও ৭২ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’এতে মারাত্মকভাবে আহতদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য তাঞ্জারাংয়ের জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদিকে আগুনে যারা সামান্য দগ্ধ হয়েছেন তাদেরকে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়। কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার কারণ এখন তদন্ত করে দেখছে। তবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্টিক থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইমরান বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন পবিপ্রবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর

ইন্দোনেশিয়ায় কারাগারে অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত : ১২:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি কারাগারে বুধবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও অনেক লোক আহত হয়েছেন। এক কর্মকর্তা একথা জানান। খবর এএফপি’র। রাজধানী জাকার্তার উপকণ্ঠে অবস্থিত তাঞ্জারাং কারাগারে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় অধিকাংশ আসামি ঘুমিয়ে ছিলেন। উদ্ধারকারী দল রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হতাহতদের উদ্ধার করে। মাদক পাচারের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের থাকা একটি ব্লকে এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং এটির বেশিরভাগই পুড়ে যায়। জাকার্তা পুলিশ প্রধান ফাদিল ইমরান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেখানে আগুনে দগ্ধ হয়ে ‘৪১ জন প্রাণ হারান এবং আরও ৭২ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’এতে মারাত্মকভাবে আহতদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য তাঞ্জারাংয়ের জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদিকে আগুনে যারা সামান্য দগ্ধ হয়েছেন তাদেরকে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়। কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার কারণ এখন তদন্ত করে দেখছে। তবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্টিক থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইমরান বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।’