০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

পূর্ণ অবয়বে দূর্গা ব‍্যস্ত প্রতিমা কারিগররা কিন্তু খুশি নন

বাঙ্গালী বর্ষ পঞ্জিকানুযায়ী সময়টা চলছে শরৎকাল। শরৎকাল এলেই চারদিকে সাদা মেঘের মাঝে কাশফুল দিয়ে ছড়িয়ে যায় চারপাশ। চারদিকে তখন শোনা যায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পুজোর সরগম। শারদীয় দূর্গোৎসব বাঙালী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রানের উৎসব।
আর এই প্রাণের উৎসবের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে এই সম্প্রদায়ের প্রতিমা শিল্পীরা, যাদের প্রতিমা কারিগর কিংবা মালাকরও বলা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শারদীয় দূর্গোৎসবকে ঘিরে এসব প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা বাড়লেও প্রতিমার সঠিক দাম না পাওয়া আর করোনার প্রভাবে খুশি নন এই সম্প্রদায়ের কারিগররা।করোনার কারণে গতবারের মতো এবারও আনন্দ উৎযাপনে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে। পূজা উৎসবে যেমন করোনার প্রভাব পড়েছে তেমনি প্রভাব পড়েছে প্রতিমা কারিগরদের উপর।
তবুও প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কারিগররা। উপজেলায় এ বছর ২২ টি পূজা মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শারদীয় দূর্গোৎসব।
প্রতিমার লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক, ময়ূর, পেঁচা সবকিছু তৈরী প্রায় শেষ তবে মুল প্রতিমা দেবী দূর্গার কাজ এখনো বাকি রয়েছে। এসব প্রতিমা গুলোতে এখনো মাটির প্রলেপ দেয়া হচ্ছে, রং তুলির আচর পরবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তায় মহালয়ার পর।
প্রতিমা কারিগর শ্রী নারায়ণ পাল বলেন,”গতবছর করোনার কারনে প্রতিমার তেমন অর্ডার নিতে পারিনি,এবছরো আশানুরুপ প্রতিমার অর্ডার বেশি পাইনি,যা পেয়েছি সেগুলো তৈরী করতে রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে আমাদের। ”
তার উপর প্রতিমার সরঞ্জামের দাম গতবছরের চেয়ে এবছর আরো বেড়েছে,সেই তুলনায় প্রতিমার দাম তেমন পাচ্ছি না আমরা।তবু বাপ দাদার কাছ থেকে পাওয়া পারিবারিক এই পেশা এখনো ধরে রেখেছি, দিনদিন চাহিদা কমতে থাকায় অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আখাউড়া উপজেলা শাখার আহব্বায়ক দিপক কুমার ঘোষ বলেন, উপজেলায় এ বছর ২২ টি মণ্ডপে দুর্গোউৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তবে করোনা পরিস্থির কারণে প্রতিটি মণ্ডপে যেন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত থাকে সেজন্য পূজা মণ্ডপ কৃর্তপক্ষদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আখাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিটি পূজা মণ্ডপে হিন্দু-মুসলিমদের সমন্বয়ে সম্প্রতী কমিটি গঠন করে দিয়েছি, বিট অফিসাররা তৎপর রয়েছে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছে এবং পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সাথে আলোচনা করেছি। পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

টানা বৃষ্টিতে শ্রীমঙ্গলে ২৫৫ হেক্টর বোরো ধান নষ্ট, দিশেহারা কৃষক

পূর্ণ অবয়বে দূর্গা ব‍্যস্ত প্রতিমা কারিগররা কিন্তু খুশি নন

প্রকাশিত : ০৬:১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাঙ্গালী বর্ষ পঞ্জিকানুযায়ী সময়টা চলছে শরৎকাল। শরৎকাল এলেই চারদিকে সাদা মেঘের মাঝে কাশফুল দিয়ে ছড়িয়ে যায় চারপাশ। চারদিকে তখন শোনা যায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পুজোর সরগম। শারদীয় দূর্গোৎসব বাঙালী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রানের উৎসব।
আর এই প্রাণের উৎসবের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে এই সম্প্রদায়ের প্রতিমা শিল্পীরা, যাদের প্রতিমা কারিগর কিংবা মালাকরও বলা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শারদীয় দূর্গোৎসবকে ঘিরে এসব প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা বাড়লেও প্রতিমার সঠিক দাম না পাওয়া আর করোনার প্রভাবে খুশি নন এই সম্প্রদায়ের কারিগররা।করোনার কারণে গতবারের মতো এবারও আনন্দ উৎযাপনে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে। পূজা উৎসবে যেমন করোনার প্রভাব পড়েছে তেমনি প্রভাব পড়েছে প্রতিমা কারিগরদের উপর।
তবুও প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কারিগররা। উপজেলায় এ বছর ২২ টি পূজা মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শারদীয় দূর্গোৎসব।
প্রতিমার লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক, ময়ূর, পেঁচা সবকিছু তৈরী প্রায় শেষ তবে মুল প্রতিমা দেবী দূর্গার কাজ এখনো বাকি রয়েছে। এসব প্রতিমা গুলোতে এখনো মাটির প্রলেপ দেয়া হচ্ছে, রং তুলির আচর পরবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তায় মহালয়ার পর।
প্রতিমা কারিগর শ্রী নারায়ণ পাল বলেন,”গতবছর করোনার কারনে প্রতিমার তেমন অর্ডার নিতে পারিনি,এবছরো আশানুরুপ প্রতিমার অর্ডার বেশি পাইনি,যা পেয়েছি সেগুলো তৈরী করতে রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে আমাদের। ”
তার উপর প্রতিমার সরঞ্জামের দাম গতবছরের চেয়ে এবছর আরো বেড়েছে,সেই তুলনায় প্রতিমার দাম তেমন পাচ্ছি না আমরা।তবু বাপ দাদার কাছ থেকে পাওয়া পারিবারিক এই পেশা এখনো ধরে রেখেছি, দিনদিন চাহিদা কমতে থাকায় অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আখাউড়া উপজেলা শাখার আহব্বায়ক দিপক কুমার ঘোষ বলেন, উপজেলায় এ বছর ২২ টি মণ্ডপে দুর্গোউৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তবে করোনা পরিস্থির কারণে প্রতিটি মণ্ডপে যেন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত থাকে সেজন্য পূজা মণ্ডপ কৃর্তপক্ষদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আখাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিটি পূজা মণ্ডপে হিন্দু-মুসলিমদের সমন্বয়ে সম্প্রতী কমিটি গঠন করে দিয়েছি, বিট অফিসাররা তৎপর রয়েছে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছে এবং পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সাথে আলোচনা করেছি। পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ