০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬

ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২৭ গ্রাহকের মামলা

২৭ গ্রাহকের ৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ২৭ জনের হয়ে রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে মামলা করেন মো. নাসিম প্রধান নামের এক গ্রাহক। আদালত রাজধানীর গুলশান থানাকে তা অভিযোগ হিসেবে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন সোনিয়া মেহজাবিনের স্বামী মাসুকুর রহমান, শেখ সোহেল রানা, মো. আমান উল্লাহ চৌধুরী, জায়েদুল ফিরোজ, নাজনীন নাহার বিথী ওরফে বিথী আক্তার ও নাজমুল হাসান রাসেল। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা স্বল্পমূলে বিভিন্ন পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জের ওয়েবসাইটে অফার প্রদান করেন।

আর সেসব পণ্যের বিপরীতে অগ্রিম মূল্য নেন। এভাবে এ মামলার ২৭ জন বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের জন্য মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৭৯ টাকা নিয়ে রিসিট দেন তারা। কিন্তু পণ্য ডেলিভারি করতে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে ই-অরেঞ্জ। সবশেষ মালিকানা হস্তান্তর হওয়ার কথা বলে সব প্রকার পণ্য ডেলিভারি স্থগিত করে, আসামিরা আত্মগোপনে যান।

ট্যাগ :

খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও খন্দকার মারুফ হোসেনসহ ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২৭ গ্রাহকের মামলা

প্রকাশিত : ১২:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

২৭ গ্রাহকের ৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ২৭ জনের হয়ে রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে মামলা করেন মো. নাসিম প্রধান নামের এক গ্রাহক। আদালত রাজধানীর গুলশান থানাকে তা অভিযোগ হিসেবে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন সোনিয়া মেহজাবিনের স্বামী মাসুকুর রহমান, শেখ সোহেল রানা, মো. আমান উল্লাহ চৌধুরী, জায়েদুল ফিরোজ, নাজনীন নাহার বিথী ওরফে বিথী আক্তার ও নাজমুল হাসান রাসেল। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা স্বল্পমূলে বিভিন্ন পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জের ওয়েবসাইটে অফার প্রদান করেন।

আর সেসব পণ্যের বিপরীতে অগ্রিম মূল্য নেন। এভাবে এ মামলার ২৭ জন বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের জন্য মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৭৯ টাকা নিয়ে রিসিট দেন তারা। কিন্তু পণ্য ডেলিভারি করতে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে ই-অরেঞ্জ। সবশেষ মালিকানা হস্তান্তর হওয়ার কথা বলে সব প্রকার পণ্য ডেলিভারি স্থগিত করে, আসামিরা আত্মগোপনে যান।