০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতে একটি কুকুরের কামড়ে ১০ শিক্ষার্থী আহত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি কুকুরের কামড়ে ১০ স্কুল শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) শ্যামলি জেলার জাহানপুর গ্রামে স্কুলে যাওয়ার পথে তারা কুকুরটির হামলার শিকার হয়। গ্রাম্য প্রধান মুবারক আলি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চার বছর বয়সী সাদিক, মহক, ১০ বছর বয়সী ইনশা ও ৭ বছর বয়সী শ্যামকে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর ক্ষিপ্ত লোকজন কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে। রেবিস বা জলাতঙ্ক হলো এমন একটি রোগ যা একটি সংক্রমিত প্রাণীর লালার ভাইরাস থেকে ছড়ায়। বিভিন্ন জন্তু এই রোগ ছড়াতে পারে, তার মধ্যে কুকুর ও বাদুড় হলো প্রধান। আক্রান্ত প্রাণীটি যখন কামড়ায় বা তার মুখের লালা যদি কোনভাবে কোনো খোলা ক্ষতের সংস্পর্শে আসে তাহলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

জলাতঙ্কের চিকিৎসায় দুই ধরনের টিকা রয়েছে। ক্ষতের তীব্রতা ও আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে কারও ক্ষেত্রে এক ধরনের, আবার কারও কারও ক্ষেত্রে উভয় ধরনের টিকা প্রয়োগের প্রয়োজন গতে পারে।

জলাতঙ্কের আধুনিক টিকার ছয়টি ডোজ রয়েছে। নাভির চারপাশে চামড়ার নিচে এ টিকা নেওয়া হয়। টিকার সব কটি ডোজ সময়মতো গ্রহণ করে টিকার কোর্স সম্পন্ন করা আবশ্যক। জলাতঙ্কের পাশাপাশি ধনুষ্টঙ্কারের সংক্রমণ ঠেকাতে কুকুরের আক্রমণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ধনুষ্টঙ্কারের টিকা গ্রহণ করা দরকার।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারতে একটি কুকুরের কামড়ে ১০ শিক্ষার্থী আহত

প্রকাশিত : ০৯:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি কুকুরের কামড়ে ১০ স্কুল শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) শ্যামলি জেলার জাহানপুর গ্রামে স্কুলে যাওয়ার পথে তারা কুকুরটির হামলার শিকার হয়। গ্রাম্য প্রধান মুবারক আলি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চার বছর বয়সী সাদিক, মহক, ১০ বছর বয়সী ইনশা ও ৭ বছর বয়সী শ্যামকে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর ক্ষিপ্ত লোকজন কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে। রেবিস বা জলাতঙ্ক হলো এমন একটি রোগ যা একটি সংক্রমিত প্রাণীর লালার ভাইরাস থেকে ছড়ায়। বিভিন্ন জন্তু এই রোগ ছড়াতে পারে, তার মধ্যে কুকুর ও বাদুড় হলো প্রধান। আক্রান্ত প্রাণীটি যখন কামড়ায় বা তার মুখের লালা যদি কোনভাবে কোনো খোলা ক্ষতের সংস্পর্শে আসে তাহলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

জলাতঙ্কের চিকিৎসায় দুই ধরনের টিকা রয়েছে। ক্ষতের তীব্রতা ও আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে কারও ক্ষেত্রে এক ধরনের, আবার কারও কারও ক্ষেত্রে উভয় ধরনের টিকা প্রয়োগের প্রয়োজন গতে পারে।

জলাতঙ্কের আধুনিক টিকার ছয়টি ডোজ রয়েছে। নাভির চারপাশে চামড়ার নিচে এ টিকা নেওয়া হয়। টিকার সব কটি ডোজ সময়মতো গ্রহণ করে টিকার কোর্স সম্পন্ন করা আবশ্যক। জলাতঙ্কের পাশাপাশি ধনুষ্টঙ্কারের সংক্রমণ ঠেকাতে কুকুরের আক্রমণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ধনুষ্টঙ্কারের টিকা গ্রহণ করা দরকার।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর