০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দুমকিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

পটুয়াখালীর দুমকিতে নিম্নচাপের কারণে টানা বর্ষনে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষক।সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ধোপারহাট তেতুলবাড়িয়া বাশবুনিয়া,লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারোগাছিয়া, কার্ত্তিকপাশা, লেবুখালী শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালী, শ্যামেরচর, চরবয়েড়া, জামলা, আংগারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর, জলিশা, ঝাটরা, মুরাদিয়া ইউনিয়নের সন্তোষদি, ভক্তবাড়ী, দক্ষিণমুরাদিয়া, উত্তর মুরাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমন ধানের ফলন ভাল হওয়ায় কুশি গুলো ভেঙ্গে মাঠে পানির মধ্যে পড়ে যাওয়ায় ক্ষতি হয়েছে। লেবুখালীর আঠারোগাছিয়ার কেতাবআলী বলেন, ঋনের টাকা নিয়ে জমিতে আমন বীজ রোপন করছিলাম ধানের ফলন দেখে আমার অনেক আশা ছিল ঋণের বোঝা কেটে উঠতে পারবো প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে স্বর্বশান্ত হয়ে গেলাম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহের মালিকা বলেন এখনও সঠিক হিসাব দিতে পারবনা। আমাদের কৃষি উপ সহকারী কর্মকর্তারা মাঠে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্য আছেন। তিনি জানান এ বছর দুমকি উপজেলার ৬৬৪০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আমন ধানের চাষ করছেন এবং ৫০ হেক্টর জমিতে শাক সবজি চাষ করেছেন। পানি জমে থাকলে সে পানি নিস্কাশনের প্রচেষ্টা চলছে। অন্য দিকে জমিতে পানি জমে থাকলে রবি মৌসুমের ফসল আবাদে ক্ষতির সম্মূখীন হতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে বাবা ও চাচার বিরুদ্ধে ভাই-বোনের সংবাদ সম্মেলন

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দুমকিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশিত : ০৭:২৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

পটুয়াখালীর দুমকিতে নিম্নচাপের কারণে টানা বর্ষনে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষক।সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ধোপারহাট তেতুলবাড়িয়া বাশবুনিয়া,লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারোগাছিয়া, কার্ত্তিকপাশা, লেবুখালী শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালী, শ্যামেরচর, চরবয়েড়া, জামলা, আংগারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর, জলিশা, ঝাটরা, মুরাদিয়া ইউনিয়নের সন্তোষদি, ভক্তবাড়ী, দক্ষিণমুরাদিয়া, উত্তর মুরাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমন ধানের ফলন ভাল হওয়ায় কুশি গুলো ভেঙ্গে মাঠে পানির মধ্যে পড়ে যাওয়ায় ক্ষতি হয়েছে। লেবুখালীর আঠারোগাছিয়ার কেতাবআলী বলেন, ঋনের টাকা নিয়ে জমিতে আমন বীজ রোপন করছিলাম ধানের ফলন দেখে আমার অনেক আশা ছিল ঋণের বোঝা কেটে উঠতে পারবো প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে স্বর্বশান্ত হয়ে গেলাম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহের মালিকা বলেন এখনও সঠিক হিসাব দিতে পারবনা। আমাদের কৃষি উপ সহকারী কর্মকর্তারা মাঠে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্য আছেন। তিনি জানান এ বছর দুমকি উপজেলার ৬৬৪০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আমন ধানের চাষ করছেন এবং ৫০ হেক্টর জমিতে শাক সবজি চাষ করেছেন। পানি জমে থাকলে সে পানি নিস্কাশনের প্রচেষ্টা চলছে। অন্য দিকে জমিতে পানি জমে থাকলে রবি মৌসুমের ফসল আবাদে ক্ষতির সম্মূখীন হতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর