০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আজ ৮ ডিসেম্বর ভেড়ামারা মুক্ত দিবস

আজ ভেড়ামারা মুক্ত দিবস। এ দিবস উপলক্ষে তেমন কোন আয়োজন না থাকলেও আজ সকালে উপজেলা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং র‍্যালি করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দীনেশ সরকার। ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ, মজিবুর রহমান। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ্যাড. আলম জাকারিয়া টিপু। সহকারী ভূমি কমিশনার, রেকসোনা খাতুন। ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক, এস এম আনসার আলী। মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলী প্রমুখ।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর পাকহানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাকে শত্রু মুক্ত করে।

ওইদিন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর আবুল মুনছুরের নেতৃত্বে জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদুল আলমের নেতৃত্বে ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে ভোর ৭টার সময় ভেড়ামারা ফারাকপুরে পাকহানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা ব্যাপী সেই যুদ্ধে ৮ জন পাক সেনা নিহত হয়। যুদ্ধের পর পরই মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে প্রায় ৫০/৬০ জন বিহারী নিহত হন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে ভেড়ামারায় অবস্থানরত পাকবাহিনীর অন্যান্য সদস্য বৃন্দের মনোবল ভেঙে যায়। তারা সন্ধ্যার আগেই ভেড়ামারা থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দিয়ে পালিয়ে যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আজ ৮ ডিসেম্বর ভেড়ামারা মুক্ত দিবস

প্রকাশিত : ০৬:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১

আজ ভেড়ামারা মুক্ত দিবস। এ দিবস উপলক্ষে তেমন কোন আয়োজন না থাকলেও আজ সকালে উপজেলা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং র‍্যালি করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দীনেশ সরকার। ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ, মজিবুর রহমান। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ্যাড. আলম জাকারিয়া টিপু। সহকারী ভূমি কমিশনার, রেকসোনা খাতুন। ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক, এস এম আনসার আলী। মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলী প্রমুখ।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর পাকহানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাকে শত্রু মুক্ত করে।

ওইদিন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর আবুল মুনছুরের নেতৃত্বে জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদুল আলমের নেতৃত্বে ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে ভোর ৭টার সময় ভেড়ামারা ফারাকপুরে পাকহানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা ব্যাপী সেই যুদ্ধে ৮ জন পাক সেনা নিহত হয়। যুদ্ধের পর পরই মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে প্রায় ৫০/৬০ জন বিহারী নিহত হন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে ভেড়ামারায় অবস্থানরত পাকবাহিনীর অন্যান্য সদস্য বৃন্দের মনোবল ভেঙে যায়। তারা সন্ধ্যার আগেই ভেড়ামারা থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দিয়ে পালিয়ে যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর