জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে দিবসটি পালনে মুক্তিযোদ্ধা স্বরণীতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা এবং মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড পতাকা উত্তোলন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা এবং বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আতœার মাগফিরাত কামনায় দোয়া কর্মসুচী মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। গতকাল বোববার সকাল ১১ টায় বাউসী পপুলার মুক্তিযোদ্ধা স্বরণীতে এ সব কর্মসুচী পালন করা হয়েছে।
এ দিকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মৎস্য ও প্রানী বিষয়ক সম্পদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান হেলাল এর নেতৃত্বে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম বিদ্যুৎ একটি বর্ণাঢ্য র্যালী সহকারে বাউসী মুক্তিযোদ্ধা স্বরণীর কর্মসুচীতে উপস্থিত হন।
উক্ত কর্মসুচী শেষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ও উপজেলা পরিষদে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও মহান বীর শহীদদের প্রতি মুক্তিযোদ্ধা স্মরণীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদ্ধের কবর স্থানে আতœার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা স্বরণীতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক উপমা ফারিসা সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোফাজ্জল হোসেন,সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ ছানোয়ার হোসেন বাদশা,পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মনির উদ্দিন,জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম মানিক বক্তব্য রাখেন।
এ সময় অনান্যদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জামালপুর জেলা ইউনিটের কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার সুজাত আলী ফকির, জেলা আ’লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন পাঠান,সরিষাবাড়ী মাহমুদা সালাম মহিলা কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধ্ ালুৎফর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মৎস্য ও প্রানী বিষয়ক সম্পদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান হেলাল,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম বিদ্যুৎ প্রমুখসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে সরিষাবাড়ির বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা এ উপজেলাকে মুক্ত করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর























