০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বিজয় দিবসকে ঘিরে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম

মহান বিজয়ের চেতনার মাস ডিসেম্বর মাস। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এটি চুড়ান্ত রুপ ধারণ করে। এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকা তৈরি ও বিক্রি বেড়ে যায়। ১৬ ডিসম্বের আসতে আর মাত্র ২ দিন বাকি। ফলে দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, বাড়ির ছাদ, বারান্দায়, বাস-ট্রাক, রিক্সা, অটোরিকশা, ভ্যান এমনকি মোটরসাইকেলে উড়ছে লাল-সবুজের বিজয়ের জাতীয় পতাকা।

পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতে মৌসুমী পতাকা বিক্রেতারা হাঁক-ডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের জাতীয় পতাকা।

মৌসুমী পতাকা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর ১লা ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করা যায়। আকার ভেদে ১০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করছেন তিনি।

জাতীয় পতাকা ক্রেতা কলেজ শিক্ষার্থী মোস্তারি জাহান মিলি ও স্কুল শিক্ষার্থী এ এম এম মাহী কৈশোর বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে জাতীয় পতাকা কিনলাম।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আমরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বহু ত্যাগ তীতিক্ষায় এই লাল-সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই পতাকার যেন কোনো অবমাননা করা না হয়। সেদিক সুনজর ও খেয়াল রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিজয় দিবসকে ঘিরে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম

প্রকাশিত : ০৬:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

মহান বিজয়ের চেতনার মাস ডিসেম্বর মাস। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এটি চুড়ান্ত রুপ ধারণ করে। এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকা তৈরি ও বিক্রি বেড়ে যায়। ১৬ ডিসম্বের আসতে আর মাত্র ২ দিন বাকি। ফলে দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, বাড়ির ছাদ, বারান্দায়, বাস-ট্রাক, রিক্সা, অটোরিকশা, ভ্যান এমনকি মোটরসাইকেলে উড়ছে লাল-সবুজের বিজয়ের জাতীয় পতাকা।

পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতে মৌসুমী পতাকা বিক্রেতারা হাঁক-ডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের জাতীয় পতাকা।

মৌসুমী পতাকা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর ১লা ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করা যায়। আকার ভেদে ১০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করছেন তিনি।

জাতীয় পতাকা ক্রেতা কলেজ শিক্ষার্থী মোস্তারি জাহান মিলি ও স্কুল শিক্ষার্থী এ এম এম মাহী কৈশোর বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে জাতীয় পতাকা কিনলাম।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আমরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বহু ত্যাগ তীতিক্ষায় এই লাল-সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই পতাকার যেন কোনো অবমাননা করা না হয়। সেদিক সুনজর ও খেয়াল রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর