গাজীপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ্ একটানা ৭ম বারের মতো ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হয়েছেন। ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা নিষ্পত্তি, অবৈধ অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, চোর-ডাকাত গ্রেফতার তথা গাজীপুর জেলার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে অনবদ্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
সোমবার সকালে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি’র কার্যালয়ে আয়োজিত মার্চ-২০২২ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।
ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) জিহাদুল কবির গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ্’র হাতে এই ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন। এ সময় ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম) নুরেআলম মিনা, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপস এন্ড ইন্টেলিজেন্স) মো: মাহবুবুর রহমানসহ রেঞ্জ অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ১২ জেলার পুলিশ সুপারগন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও ঢাকা রেঞ্জ কার্যালয় প্রদত্ত ৯ টি ক্যাটাগরীর মধ্যে গাজীপুর জেলা এককভাবে ৬ টি ক্যাটাগরিতে(পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, অফিসার ইনচার্জ, সাব ইন্সপেক্টর, ডিবি অফিসার ও ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার) শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। পুলিশ সুপার গাজীপুরের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানজিদা আফরিন শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার, কালিয়াকৈর থানার ইন্সপেক্টর আকবর আলী খান শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ এবং কালীগঞ্জ থানার এসআই মোঃ কামাল হোসেন, ডিবির এসআই শহিদুল ইসলাম ও শ্রীপুর থানার এ এস আই নুরে আলম সিদ্দীকী ঢাকা রেঞ্জের যথাক্রমে শ্রেষ্ঠ এসআই, ডিবি ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত হওয়ায় তারাও অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) এর কাছ থেকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ গ্রহন করে।
গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এস এম শফিউল্লাহ বিপিএম গত বছরের ২১ মার্চ গাজীপুর জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তদারকির মাধ্যমে গাজীপুর জেলার মূলতবি মামলা ও ওয়ারেন্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে গাজীপুর জেলার ৫ টি থানার (জয়দেবপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ও কালীগঞ্জ) ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্নসহ তিনি গাজীপুর জেলায় ২০২১ ও ২০২২ সালে মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং সম্পূর্ন দুর্নীতিমুক্তভাবে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে গাজীপুরবাসীর ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেন।
এছাড়া তিনি অধিকাংশ ক্লুলেস ডাকাতি, খুন, দস্যুতা ও চাঞ্চল্যকর মামলা সমূহের রহস্য উদঘাটনপূর্বক দুস্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় আনয়ন এবং বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে বেগবান করার মাধ্যমে পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিয়ে গাজীপুরবাসীর নিকট গাজীপুর জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল করতে সক্ষম হন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























