সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের লীলাভূমি সাগরকন্যা খ্যাত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা। লম্বা ছুটিতে ঈদের চতুর্থ দিন ও সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় হাজারো পর্যটকে মুখর এই সমুদ্র সৈকত। ঈদের চতুর্থ দিনে কুয়াকাটা সৈকতে ২০ থেকে ২৫ হাজারের বেশি পর্যটক আছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (৬ মার্চ) কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় হাজারো পর্যটকের ভিড়। ছবি তোলা, বালিয়াড়িতে হৈ-হুল্লোড়, আড্ডা, পরিবার নিয়ে সৈকত উপভোগে ব্যস্ত বিভিন্ন বয়সের পর্যটকরা।
বরিশাল থেকে আসা পর্যটক চন্দ্রা বলেন, করোনার দু’বছর পরে বাচ্চাদের নিয়ে বের হলাম, বেশ আনন্দ উল্লাসের সঙ্গে সময় যাচ্ছে। সমুদ্রের ঢেউ ও বাচ্চাদের গোসলে সময় কাটাচ্ছি, অনেক আনন্দ।
পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিভিন্ন পয়েন্টে পোশাক ও সাদা পোশাকে ছয়টি টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। তাদের সহযোগিতা করছে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম; এমনটাই জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ।
কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, ঈদের চতুর্থ দিনে কুয়াকাটা সৈকতে বর্তমানে ২০-২৫ হাজারের বেশি পর্যটক রয়েছে। তাদের সেবায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলেই ব্যস্ত সময় পার করছে। আশা করছি এই চাপে আমরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবো।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল এম এ মোতালেব শরীফ জানান, আজকে কোনো রুম খালি নেই, শতভাগ বুকিং রয়েছে। কুয়াকাটায় প্রায় ১৫ হাজার পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ধারণক্ষমতা রয়েছে কিন্তু এই মুহূর্তে তার অধিক পর্যটক কুয়াকাটা অবস্থান করছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















