পেশাদারিত্ব, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা সকলের থেকে আলাদা করে দেয় লিওনেল মেসিকে। না হলে এস্তোনিয়ার মতো ১১০ নম্বর দলের বিরুদ্ধেও তিনি মাঠে নামেন! বাকি সিনিয়র খেলোয়াড়রা যখন বিশ্রামে, তখন মেসি সেই আগের অ্যাড্রিনালিন ঝরিয়ে মাঠে নেমে একেবারে ফুল ফোটালেন। একটা-আধটা নয়, একেবারে পাঁচ পাঁচটি গোল করে নতুন নজিরও গড়ে ফেললেন আর্জেন্টিনার তারকা।
এদিনের ম্যাচের পরে মেসি ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলেকে টপকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। মেসির এখন ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৭৬৯টি গোল রয়েছে। যেখানে রোনালদোর মোট গোলসংখ্যা ৮১৩। পেলে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ৭৬৭টি গোল করেছিলেন।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি প্রথম ফুটবলার, যিনি ইউরোপিয়ান কাপ বা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচেও পাঁচটি গোল করলেন। তিনি আর্জেন্টিনারও প্রথম খেলোয়াড়, যিনি দেশের জার্সিতে এক ম্যাচে ৫ গোল করার নজির গড়ে লিখে ফেললেন ইতিহাস।
রবিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্পেনের আল সাদর স্টেডিয়ামে এস্তোনিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে একাই ৫ গোল করেন মেসি। ম্যাচটি ৫-০ জেতে আর্জেন্তিনা। এ নিয়ে টানা ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকল আর্জেন্টিনা।
এর আগেও পিএসজি তারকা পেশাদার ক্যারিয়ারে আরও একবার একই ম্যাচে ৫ গোলের নজির গড়েছিলেন। ২০১২ সালের সেই ম্যাচে বার্সেলোনার জার্সিতে বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ৫ গোল করেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল। সেটি ছিল তার প্রথম ৫ গোল। এবার দেশের জার্সিতে একই নজির গড়লেন তিনি। ক্লাব এবং দেশের হয়ে একক ম্যাচে ৫ গোল করা নিঃসন্দেহে বিরল কৃতিত্ব।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর























