ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্ব গতিতে প্রতি দিনই বাড়ছে “পারিবারিক পুষ্টি বাগান”। আসুন আমরা যারা দেশকে ভালবাসি সবাই শাক-সবজির জন্য শুধু বাজারমুখী না হয়ে প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় যে সব পতিত ভূমি আছে সে সব ভূমিতে শাক-সবজী চাষ করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা রাখা যাবে না।
এখন বাংলাদেশে মৌসুমি/বারমাসি সকল ধরনের শাক-সবজি ও ফলমূলের উন্নত মানের বীজ/চারা পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে মাত্র ১-১.৫ শতক জমি থেকে যে শাক-সবজী ও ফলমূল পাওয়া যায় তা দিয়ে ৪/৫ জনের পরিবার অনায়াসে তাদের সারা বছরের শাক-সবজি ও ফলমূলের চাহিদা মেটাতে পারে। ৫ টা বেডে ৫ ধরনের শাক-সবজি (মৌসুম ভেদে লাল শাক, ডাটা শাক, পুঁই শাক, ধনিয়া, বেগুন, টমেটো, মরিচ, পালং শাক, কলমি শাক ইত্যাদি), বেডের লম্বালম্বি উত্তর-দক্ষিণ পাশে ৩ টি করে ৬ টি ফলের চারা (পেঁপে, থাই পেয়ারা, মাল্টা, লেবু, খাটো জাতের আম ), পূর্ব – পশ্চিম পাশে মাচায় লতা জাতীয় সবজি ( লাউ, করলা, শশা, বরবটিসহ লতা জাতীয় সবজি)।
চার দিকে বেড়া ব্যবস্থা করে দিতে হবে , জমিতে মাঝে মাঝে গোবর সার ও সামান্য রাসায়নিক সার দিতে হবে, বাগানটি হবে সারা বছরের জন্য। এতে আপনি নিরাপদ ও বিষমুক্ত শাক-সবজী ও ফল পাবেন। সবজি/ফলের দাম বাড়া কমার জন্য আপনার পুষ্টি চাহিদার ঘাটতি হবে না। আপনি এ বাগানের নাম দিতে পারেন । নবীনগর পৌর এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায় ভোলাচং গ্রামের কৃষক আবদুল জাব্বারের ছেলে হাবিবুর রহমান ও মাঝিকাড়া গ্রামের মো. মুছা মিয়ার স্ত্রী কৃষানী জান্নাতুল ফেরদৌসী এ ধরনের “পারিবারিক পুষ্টি বাগান” নিয়ে কাজ করছেন। এর ফলে তারা অল্প ভূমিতে সবজি চাষ করে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করে সংসারের আয় বৃদ্ধি করছে। উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন নবীনগরে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্ব গতিতে প্রতি দিনই বাড়ছে “পারিবারিক পুষ্টি বাগান”। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে প্রযোজনীয় পরামর্শ দেয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব


























