০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের সর্বত্র শেখ হাসিনা উন্নয়ন করলেও সুফল ব্যাহত হচ্ছে দলীয় গ্রুপিংয়ে -হুইপ স্বপন

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি বলেছেন, মেগাসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পর্যটন জেলা কক্সবাজারের সর্বত্র অভাবনীয় উন্নয়ন হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান। সুফল পাচ্ছে জেলার প্রতিটি মানুষ। তবুও এখানে দলীয় সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং করায়। দলীয় পদ ও জনপ্রতিনিধি হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারবেনা স্থায়ী রেশারেশি-শত্রুতা-গ্রুপিং। ৯ বছর পর চকরিয়ায় সম্মেলন হচ্ছে। এসময়ের মধ্যে ৩ বার সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। যথাসময়ে সম্মেলন হলে উঠে আসতো নতুন নেতৃত্ব। উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্তরা পদ হারানোর ভয়ে সম্মেলন করেনি।

হুইপ স্বপন আরো বলেন, পাকিস্তান আমলের প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন রাস্ট্র করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে মৃত্যুর আগে ৯ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি রেখে গিয়েছিলেন। জাতির জনককে হত্যার পর ২১ বছরে দায়িত্ব পালন করা জিয়াসহ অন্যান্য সরকারগুলো ৫ শতাংশের আশপাশে প্রবৃদ্ধি রাখতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে মহামারি করোনার আগে ৮ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি নিয়ে যান। পুরো দেশে অভাবনীয় উন্নয়ন করে সকল মানুষের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠেছেন। এই অবস্থা দেখে বিএনপিসহ কিছু দল ও কুচক্রীমহল বিশ্ব আইডল হয়ে উঠা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা প্রপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই অবস্থা থেকে শেখ হাসিনাকে রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা রেখে বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে সকল ভেদাভেদ ভুলে প্রতিজন মুজিব সেনাকে ভ্যানগার্ডের ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করতে হবে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চকরিয়া সরকারী কলেজ মাঠে আয়োজিত সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম এমপির সভাপতিত্বে ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, আজিজুর রহমান, এডভোকেট রঞ্জিত দাস, মাহবুবুর রহমান, আজিমুল হক আজিম প্রমুখ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন (কাউন্সিল) জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় আমজাদিয়া রফিকুল উলুম মাদ্রাসার হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল চারটায় শুরু হওয়া এ অধিবেশনে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি পূণরায় সভাপতি নির্বাচিত হন। দুইজন প্রার্থী থানায় ভোট হয় সাধারণ সম্পাদক পদে। নির্বাচনে আবু মুছা বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
নির্বাচন পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক রঞ্জিত দাশ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মুঘল বাংলার আঞ্চলিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে নতুন গবেষণা: আলোচনায় নলডাঙ্গা রাজ্য

কক্সবাজারের সর্বত্র শেখ হাসিনা উন্নয়ন করলেও সুফল ব্যাহত হচ্ছে দলীয় গ্রুপিংয়ে -হুইপ স্বপন

প্রকাশিত : ০৯:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি বলেছেন, মেগাসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পর্যটন জেলা কক্সবাজারের সর্বত্র অভাবনীয় উন্নয়ন হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান। সুফল পাচ্ছে জেলার প্রতিটি মানুষ। তবুও এখানে দলীয় সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং করায়। দলীয় পদ ও জনপ্রতিনিধি হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারবেনা স্থায়ী রেশারেশি-শত্রুতা-গ্রুপিং। ৯ বছর পর চকরিয়ায় সম্মেলন হচ্ছে। এসময়ের মধ্যে ৩ বার সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। যথাসময়ে সম্মেলন হলে উঠে আসতো নতুন নেতৃত্ব। উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্তরা পদ হারানোর ভয়ে সম্মেলন করেনি।

হুইপ স্বপন আরো বলেন, পাকিস্তান আমলের প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন রাস্ট্র করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে মৃত্যুর আগে ৯ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি রেখে গিয়েছিলেন। জাতির জনককে হত্যার পর ২১ বছরে দায়িত্ব পালন করা জিয়াসহ অন্যান্য সরকারগুলো ৫ শতাংশের আশপাশে প্রবৃদ্ধি রাখতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে মহামারি করোনার আগে ৮ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি নিয়ে যান। পুরো দেশে অভাবনীয় উন্নয়ন করে সকল মানুষের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠেছেন। এই অবস্থা দেখে বিএনপিসহ কিছু দল ও কুচক্রীমহল বিশ্ব আইডল হয়ে উঠা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা প্রপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই অবস্থা থেকে শেখ হাসিনাকে রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা রেখে বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে সকল ভেদাভেদ ভুলে প্রতিজন মুজিব সেনাকে ভ্যানগার্ডের ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করতে হবে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চকরিয়া সরকারী কলেজ মাঠে আয়োজিত সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম এমপির সভাপতিত্বে ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, আজিজুর রহমান, এডভোকেট রঞ্জিত দাস, মাহবুবুর রহমান, আজিমুল হক আজিম প্রমুখ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন (কাউন্সিল) জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় আমজাদিয়া রফিকুল উলুম মাদ্রাসার হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল চারটায় শুরু হওয়া এ অধিবেশনে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আলহাজ্ব জাফর আলম এমপি পূণরায় সভাপতি নির্বাচিত হন। দুইজন প্রার্থী থানায় ভোট হয় সাধারণ সম্পাদক পদে। নির্বাচনে আবু মুছা বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
নির্বাচন পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক রঞ্জিত দাশ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ