ব্রাহ্মণণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.কাউছার হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ১২ জন ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের মেম্বারগণ।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান ঝুরবানুসহ ১২ জন ইউপি সদস্য স্বাক্ষরিত অনাস্থাপত্রটি সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাছে জমা দেওয়া হয়।
পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান ঝুরবানু বলেন,চেয়ারম্যানের বিনা রশীদে অর্থ আদায় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। পরিষদে আমাদের মূল্যায়ন করা হয় না। অন্যান্য সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অসদাচরণ করেন। আমরা এ বিষয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছি।
ইউপি সদস্য সুজন মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, ‘চেয়ারম্যান তার ভাতিজা দিয়ে পরিষদ নিয়ন্ত্রণ করেন৷ জন্মনিবন্ধনের করতে আমার পরিবারের ৩০০ টাকা নিয়েছে। সবার কাছ থেকে কি পরিমাণ করে টাকা নেই তাহা আমরা সব লিখিত ভাবে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে নাগরিকদের কোনো সুবিধা দিতে পারছি না। জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে পারছি না।
এ ব্যাপারে কথা হলে পাকশিমুল ইউপি চেয়ারম্যান মো.কাউছার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তারা আমি ইউনিয়ন পরিষদে কখনও কাউকে অপমান করেনি এবং বেআইনি কাজ করেনি।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) মো. আরিফুল হক মৃদুল বলেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















