ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন আগামী ২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। সম্মেলনকে ঘিরে দক্ষিণ ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতা-কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। অনেকে আবার উপর পর্যায়েও লবিং শুরু করেছেন।
আবার অন্যদিকে সাইফুর রহমান সোহাগ ও এস এম জাকির হোসাইন তাদের পকেট কমিটি দিতে মরিয়া উঠেছে। ছাত্রলীগের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সরকারী কবি নজরুল কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মোহনকে দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস, এম জাকির হোসাইন।
জানা যায়, সরকারী কবি নজরুল কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মোহন, জাকির হোসাইনের বিশ্বস্ত লোক। এবং একই এলাকার লোক হওয়া হাবিবুর রহমান মোহন এগিয়ে আছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের ত্যাগী পরিশ্রমী নেতাকর্মীরা।
তারা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, যদি এরকম হয় তাহলে কেউ মেনে নিবেনা। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
এর পূর্বে কবি নজরুল কলেজের হেবিওয়েট প্রার্থীদের ডেঙ্গিয়ে মোহনকে সভাপতি, মাইনুলকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ । এবার তার ব্যতিক্রম হচ্ছেনা। মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সম্মেলনে।
জানা যায়, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত না থেকেও মোহনকে শীর্ষপদে বসাতে মরিয়া উঠেছে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।
যত অভিযোগ হাবিবুর রহমান মোহনের বিরুদ্ধে
কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শীর্ষপদে বসার পর মোহন গড়ে তুলেন চাঁদাবাজ বাহিনী। ভর্তি বানিজ্য, অ্যাডমিড কার্ড আটকিয়ে টাকা আদায়, ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলা এক কথা সরকারী কবি নজরুল কলেজে যে কোন কাজে ছাত্রলীগের সভাপতিকে টাকা না দিয়ে কোন কাজ করা সম্ভব না।
ফারুক নামে এক সাধারণ শিক্ষার্থী এ সম্পর্কে বলেন, ফরম ফিলাপের টাকা পরীক্ষা ফী, অ্যাডমিট কার্ড উত্তোলণ ব্যাংকে যে কোন পরিমাণ টাকা দিতে গেলে ছাত্রলীগকে অতিরিক্ত মাসোহারা না দিয়ে কোন টাকা জমা দেওয়া সম্ভবনা ।
এ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনকে ফোন দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই।
























