১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

সঠিক ও নির্ভুল প্রতিবেদনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা অপরিহার্য

সঠিক এবং নির্ভুল প্রতিবেদন এসডিজি অর্জনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গণমাধ্যমের উচিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও টেকসই উন্নয়নের সংযোগস্থলে মনোনিবেশ করা। ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী, মানসম্মত শিক্ষা এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের মতো সাসটেইনেবল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধর্মীয়গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়গুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যমের উচিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও উন্নয়নের সংযোগস্থলে আলোকপাত করা, রোববার ৩০ অক্টোবর এক কর্মশালায় এমনটাই বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যাকশন বাংলাদেশ (সি-ক্যাব) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের সহযোগিতায় এসডিজি এজেন্ডায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা এবং ধর্মীয় বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য শনিবার ওয়াই ডব্লিউ সিএ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিতহয়। এসডিজি-১৬এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ অর্জনে সংবাদমাধ্যমগুলি কীভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসের খবরগুলি আরও ভাল ভাবে কভার করতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

‘এসডিজি অর্জনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকার বস্তুনিষ্ঠ কাভারেজ জোরদারকরা’ শীর্ষক বাংলাদেশী সাংবাদিকদের জন্য এইকর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় দ্বন্দ্ব-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা এবং দ্বন্দ্ব সমাধানের সর্বোত্তম অনুশীলনসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়; এবংএসডিজি১৬ অর্জনের লক্ষ্যে একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তি মূলকও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পক্ষপাতিত্ব, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং ভুলতথ্য প্রকাশিত না করার জন্য আলোকপাত করা হয়েছে।

কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়া হাউজের সাংবাদিকরা অংশ নেন। কর্মশালার মডারেটর ওসি-ক্যাবের কার্যনির্বাহী পরিচালক সৈয়দ জেইন আল মাহমুদ বলেন, “মিডিয়া সেকুলার বনাম ধর্ম, এই বিতর্কের বাইরে গিয়ে টেকসই উন্নয়ন এধর্মীয় গোষ্ঠীর ভূমিকা নিয়ে গঠনমূলক প্রতিবেদন করতে পারে. জাতিসংঘ এ ব্যপারে ইতি মধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে.” সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া সুলতানা বলেন, “শান্তিপূর্ণ তথ্য কভার করে দ্বন্দ্বের লুপ ভেঙে ফেলা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আর ও বলেন, ‘সাংবাদিকরা পক্ষপাতিত্ব পরিহার করে শান্তিপূর্ণ খবর প্রতিষ্ঠা ও কভার করতে পারেন। ক্যারিতাস এশিয়ার প্রেসিডেন্ট বেনে ডিক্ট অ্যালোডি রোজারিও বলেন, “বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতারা মানুষের মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সবচেয়ে কার্যকর সহায়ক হতে পারেন।“

সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যাকশন বাংলাদেশ সময়োপযোগী, নির্ভুল এবং কার্যকর তথ্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এবং কৌশলগত যোগাযোগের বিষয়গুলি ব্যবহার করে, যা সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নের চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। WFDD হল জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা ধর্ম ও বৈশ্বিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

 

জনপ্রিয়

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর, দুই বিষয়ে সুযোগ

সঠিক ও নির্ভুল প্রতিবেদনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা অপরিহার্য

প্রকাশিত : ১০:৪৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২

সঠিক এবং নির্ভুল প্রতিবেদন এসডিজি অর্জনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গণমাধ্যমের উচিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও টেকসই উন্নয়নের সংযোগস্থলে মনোনিবেশ করা। ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী, মানসম্মত শিক্ষা এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের মতো সাসটেইনেবল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধর্মীয়গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়গুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যমের উচিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও উন্নয়নের সংযোগস্থলে আলোকপাত করা, রোববার ৩০ অক্টোবর এক কর্মশালায় এমনটাই বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যাকশন বাংলাদেশ (সি-ক্যাব) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের সহযোগিতায় এসডিজি এজেন্ডায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা এবং ধর্মীয় বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য শনিবার ওয়াই ডব্লিউ সিএ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিতহয়। এসডিজি-১৬এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ অর্জনে সংবাদমাধ্যমগুলি কীভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসের খবরগুলি আরও ভাল ভাবে কভার করতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

‘এসডিজি অর্জনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকার বস্তুনিষ্ঠ কাভারেজ জোরদারকরা’ শীর্ষক বাংলাদেশী সাংবাদিকদের জন্য এইকর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় দ্বন্দ্ব-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা এবং দ্বন্দ্ব সমাধানের সর্বোত্তম অনুশীলনসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়; এবংএসডিজি১৬ অর্জনের লক্ষ্যে একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তি মূলকও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পক্ষপাতিত্ব, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং ভুলতথ্য প্রকাশিত না করার জন্য আলোকপাত করা হয়েছে।

কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়া হাউজের সাংবাদিকরা অংশ নেন। কর্মশালার মডারেটর ওসি-ক্যাবের কার্যনির্বাহী পরিচালক সৈয়দ জেইন আল মাহমুদ বলেন, “মিডিয়া সেকুলার বনাম ধর্ম, এই বিতর্কের বাইরে গিয়ে টেকসই উন্নয়ন এধর্মীয় গোষ্ঠীর ভূমিকা নিয়ে গঠনমূলক প্রতিবেদন করতে পারে. জাতিসংঘ এ ব্যপারে ইতি মধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে.” সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া সুলতানা বলেন, “শান্তিপূর্ণ তথ্য কভার করে দ্বন্দ্বের লুপ ভেঙে ফেলা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আর ও বলেন, ‘সাংবাদিকরা পক্ষপাতিত্ব পরিহার করে শান্তিপূর্ণ খবর প্রতিষ্ঠা ও কভার করতে পারেন। ক্যারিতাস এশিয়ার প্রেসিডেন্ট বেনে ডিক্ট অ্যালোডি রোজারিও বলেন, “বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতারা মানুষের মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সবচেয়ে কার্যকর সহায়ক হতে পারেন।“

সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যাকশন বাংলাদেশ সময়োপযোগী, নির্ভুল এবং কার্যকর তথ্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এবং কৌশলগত যোগাযোগের বিষয়গুলি ব্যবহার করে, যা সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নের চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। WFDD হল জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা ধর্ম ও বৈশ্বিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব