চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(চবি) ব্যাপক উদ্দীপনার মাধ্যমে পালিত হচ্ছে পিঠা উৎসব ২০২৩। রবিবার(২২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে উদযাপিত হয়েছে দিনটি।
‘পিঠার আমেজ শীতের বেলায়, মেতে উঠি পৌষমেলায়’ এই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে আয়োজন করা হয়েছে এবারের পিঠা উৎসব।
আয়োজনে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোট। চবির পাঁচটি সংগঠন নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোট, সংগঠনগুলো হলো অঙ্গন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ, প্রথম আলো বন্ধুসভা, লোকজ সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রঁদেভূ শিল্পীগোষ্ঠী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
সকাল আটটায় শুরু হয় পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এরপর স্টলগুলোতে পিঠা বিক্রির হিড়িক পড়ে যায়। বিভিন্ন নামের পিঠা স্থান পায় স্টলে, এগুলোর মধ্যে অন্যতম জামাই পিঠা, সুজির পিঠা, গোলাপ পিঠা, শামুক পিঠা, ডিম পিঠা, নারিকেলে পাটিসাপ্টা ও অন্যান্য।
দুপুরের দিকে বেশি ভিড় দেখা যায় স্টলগুলোর সামনে, এ সময়ে পিঠা খেতে আসা (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মুন জানায়, পিঠা উৎসব আসলেই সুন্দর হয়েছে, সবাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে পিঠা বিক্রি করতেছে , নানান রকমের পিঠা আছে, পিঠাগুলোর স্বাদও অনেক ভালো , আমার কাছে ভালো লেগেছে।
বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নূরমোম্মদ সাগর জানায়, ‘এখানে এসে ভালোই লাগতেছে। এটা আসলে মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসে তেমন পিঠা পাওয়া যায় না, এখানে এসে অনেকদিন পর গ্রামীণ অনুভূতি ফিরে পেয়েছি।’
স্টলগুলোতে যারা পিঠা নিয়ে বসেছে, তাদের সবাইকে পাঞ্জাবি আর শাড়ীতে দেখা যাচ্ছে। এ সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আলো বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক আদিত্য গোস্বামী বলেন, “চবিতে দুই বছর পর এরকম উৎসব হচ্ছে, পিঠা উৎসব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। আমাদের অনেকেই রাত জেগে পিঠা বানিয়েছে, পিঠা উৎসবে আসা ক্রেতাদের অধিক চাহিদার কারণে তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাচ্ছে পিঠাগুলো। আশা করি সবাইকে ভালো লেগেছে।’
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের জাঁকজমকপূর্ণ পিঠা উৎসব ২০২৩।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















