চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসসহ দেশের সব শুল্ক স্টেশনে আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি কর্মবিরতি কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক লাইসেন্সিং বিধিমালার কিছু বিধিবিধান সংশোধন, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানাসহ নানা দাবিতে গত প্রায় এক বছর ধরে আন্দোলন করে আসছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং এসোসিয়েশন। দাবি আদায়ের জন্য তারা দেশের সকল কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে গতকাল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয়।
চট্টগ্রাম কাস্টম সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশেনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ সংশোধনে, শুল্কায়নকালে পণ্যের এইচ.এস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে ‘বিতর্কিত’ আদেশ বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে দেশের সকল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্দ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব দাবির বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তিনি বলেন, আমরা কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে সময় বেধে দিয়েছিলাম ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু তারা সেই দাবি মানেনি। তাই আমরা কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি দুই দিন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করব।
মূলত কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কিছু বিধিবিধান সংশোধন, পণ্য চালান শুল্কায়নকালে পণ্যের এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবিতে সারাদেশের কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনে একযোগে এ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বিষয়ে ২৯ জানুয়ারি (আজ) ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করবে ফেডারেশন। এসব দাবিতে দীর্ঘদিন আমরা আন্দোলন করে আসছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















