বলিউড সেলিব্রেটিদের প্রেমের গুঞ্জন যেন খুবই স্বাভাবিক। আর এবার সেই গুঞ্জনের তারিকায় যুক্ত হয়েছে রণবীর এবং আলিয়ার নাম। কয়েকমাস আগেই রণবীরের নতুন গার্লফ্রেন্ডের নামের খাতায় যুক্ত হয়েছে তার নাম। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন আলিয়া নিজেই।
আয়ান মুখার্জির বহ্মাস্ত্র সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। রিল লাইফের মতো রিয়েল লাইফেও নাকি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন তারা। বলিপাড়ায় এ নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন।
বর্তমানে রাজি সিনেমার প্রচার নিয়ে ব্যস্ত আলিয়া। এরই অংশ হিসেবে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। এ সময় রণবীরের সঙ্গে ডেটিং নিয়ে প্রশ্ন করা হয় স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার অভিনেত্রীকে।
এই বিষয়ে আলিয়া বলেন, ‘আমি রণবীরকে এখনো জিজ্ঞাসা করিনি। আমি জানি না এ ধরনের গুঞ্জন তার কেমন লাগে। আমার ধারণা, কিছু মনে করবে না কারণ সে আমার মতোই। তবে এখানে মনে করার মতো কিছু নেই। কোনো কিছু খোলাসা বা অস্বীকার করারও নেই। সে ব্যক্তি হিসেবে খুবই ভালো এবং জীবনের এই মুহূর্তে তার কাছাকাছি থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’
সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে নৈশভোজে গিয়েছিলেন রণবীর-আলিয়া। অবশ্য এ সময় তাদের সঙ্গে বহ্মাস্ত্র সিনেমার পরিচালক আয়ান মুখার্জি ও প্রযোজক করন জোহরও উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সিনেমা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আলোচনা করতেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন তারা। তবে রেস্তোরাঁ থেকে বের হয়ে আয়ান ও করন আলাদা আলাদা গাড়িতে এবং অন্য একটি গাড়িতে আলিয়া-রণবীর সে স্থান ত্যাগ করেন। যা এ জুটির প্রেমের গুঞ্জনের পালে নতুন করে হাওয়া দিয়েছে।
শোনা যায়, বহ্মাস্ত্র সিনেমার শুটিং শুরুর পর থেকেই রণবীর-আলিয়ার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এছাড়া রণবীরকে আলিয়ার বাড়িতেও যেতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, পাপারাজ্জিরা তাদের একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করার চেষ্টা করলেও তাতে বাদ সাধেন তারা।
এর আগে রণবীরের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে আলিয়া বলেছিলেন, ‘যখন এগুলো পড়ি আমি নিজেই বিভ্রান্ত হই। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, চুপ থাকাটাই শ্রেয়। এমন না যে আমি ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়াব না। কিন্তু আমি মনে করি কোনো এক কারণ রয়েছে বলেই এটাকে ব্যক্তিগত বলা হয়। এ কারণেই এটা সবসময় আমার কাছে গোপন থাকে। আমি ভালো আছি। মানুষ যা খুশি বলতে পারে কিন্তু আমি এই ধরনের কথার তোয়াক্কা করি না। সম্ভবত সবসময়ই কিছু না কিছু লেখা হবে। কিন্তু আশা করব, সবাই যেন না ভাবেন, যা লেখা হচ্ছে সবই আমার জীবনে ঘটছে।’


























